কলকাতার হাইকোর্টের গম্ভীর পরিবেশে সাধারণত যে দৃশ্যপট থাকে, তা আচমকাই বদলে গেল বৃহস্পতিবার। যেখানে ন্যায়ের মন্দিরে যুক্তি-তর্কের মাধ্যমে মীমাংসা হওয়ার কথা, সেখানেই এক সাংসদের হাতে আরেকজনকে মারধরের অভিযোগ উঠে এসেছে। এজলাসে আইনজীবীদের মধ্যে উত্তপ্ত বাদানুবাদ মাঝেমধ্যেই দেখা যায় বটে, কিন্তু তা শারীরিক আঘাতে পরিণত হবে—তা কল্পনাও করেননি কেউ। সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে সিনিয়র অ্যাডভোকেটরাও চোখ কপালে তুলেছেন এই ঘটনায়।
শুধু আইনজীবী মহলই নয়, এই ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়তেই সাধারণ নাগরিকরাও প্রশ্ন তুলছেন—যাঁরা আইন তৈরি করেন, তাঁরাই যদি আদালতের মর্যাদা না মানেন, তবে বাকিদের থেকে আমরা কী প্রত্যাশা করব? সামাজিক মাধ্যমে ইতিমধ্যেই এই ইস্যু নিয়ে চর্চা শুরু হয়ে গিয়েছে। অনেকেই লিখেছেন, আদালতের মতো স্থানে যেখানে মানুষ ন্যায়ের আশায় আসেন, সেখানে রাজনৈতিক নেতা ও আইনজীবীর মধ্যে এমন লড়াই হতাশাজনক।
সূত্রের খবর অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার সকাল ১১টা নাগাদ বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী ও বিচারপতি ঋতব্রত কুমার মিত্রর ডিভিশন বেঞ্চ চলাকালীন শ্রীরামপুরের তৃণমূল সাংসদ তথা প্রবীণ আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় প্রকাশ্যে নিজের দলেরই সাংসদ সৌগত রায়ের বিরুদ্ধে কটাক্ষ করেন। তখনই তাঁর ওই মন্তব্যে আপত্তি তোলেন সিনিয়র আইনজীবী অশোককুমার নাথ। তিনি জানান, এজলাসের মতো স্থানে এমন মন্তব্য একেবারেই শোভন নয় এবং আদালতের শালীনতা রক্ষার জন্যই তিনি কল্যাণকে নিবৃত করতে চেয়েছিলেন।
অশোক নাথের দাবি, তিনি সৌগত রায়ের বিরুদ্ধে কুমন্তব্য কেন করা হচ্ছে তা জানতে চাইলে, হঠাৎই উত্তেজিত হয়ে ওঠেন কল্যাণ। অশোকের জামার কলার চেপে ধরে তাঁকে মুখে ঘুসি মারতে শুরু করেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। এই ঘটনায় অশোকের মুখে রক্তপাত হয় এবং তাঁর জামায়ও রক্ত লাগে। আদালতের মতো জায়গায় এই ঘটনা প্রত্যক্ষ করে স্তব্ধ হয়ে যান উপস্থিত অন্যান্য আইনজীবী ও আদালত কর্মীরা। ঘটনার পর অশোক রক্তমাখা রুমালটি সংরক্ষণ করেছেন, যা তিনি পুলিশের কাছে প্রমাণ হিসেবে জমা দেবেন বলে জানিয়েছেন।
ঘটনার পরপরই হেয়ার স্ট্রিট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন আইনজীবী অশোককুমার নাথ। শুধু শারীরিক হেনস্থা নয়, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে অকথ্য ভাষায় গালাগাল, মানহানিকর মন্তব্য ও আদালতের শালীনতা লঙ্ঘনের অভিযোগ এনেছেন তিনি। রাজনৈতিক মহলেও এই ঘটনার জেরে জলঘোলা শুরু হয়েছে। সৌগত রায় নিজে যদিও এ বিষয়ে মুখ খোলেননি, তবে তৃণমূলের অন্দরে এই ঘটনায় অস্বস্তি তৈরি হয়েছে বলেই খবর। এখন দেখার, আদালতের অভ্যন্তরে ঘটেছে এমন এক বিস্ফোরক ঘটনার কী পরিণতি হয় এবং রাজনৈতিক স্তরে তার কী প্রভাব পড়ে।
কলকাতার হাইকোর্টের গম্ভীর পরিবেশে সাধারণত যে দৃশ্যপট থাকে, তা আচমকাই বদলে গেল বৃহস্পতিবার। যেখানে ন্যায়ের মন্দিরে যুক্তি-তর্কের মাধ্যমে মীমাংসা হওয়ার কথা, সেখানেই এক সাংসদের হাতে আরেকজনকে মারধরের অভিযোগ উঠে এসেছে। এজলাসে আইনজীবীদের মধ্যে উত্তপ্ত বাদানুবাদ মাঝেমধ্যেই দেখা যায় বটে, কিন্তু তা শারীরিক আঘাতে পরিণত হবে—তা কল্পনাও করেননি কেউ। সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে সিনিয়র অ্যাডভোকেটরাও চোখ কপালে তুলেছেন এই ঘটনায়।
শুধু আইনজীবী মহলই নয়, এই ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়তেই সাধারণ নাগরিকরাও প্রশ্ন তুলছেন—যাঁরা আইন তৈরি করেন, তাঁরাই যদি আদালতের মর্যাদা না মানেন, তবে বাকিদের থেকে আমরা কী প্রত্যাশা করব? সামাজিক মাধ্যমে ইতিমধ্যেই এই ইস্যু নিয়ে চর্চা শুরু হয়ে গিয়েছে। অনেকেই লিখেছেন, আদালতের মতো স্থানে যেখানে মানুষ ন্যায়ের আশায় আসেন, সেখানে রাজনৈতিক নেতা ও আইনজীবীর মধ্যে এমন লড়াই হতাশাজনক।
সূত্রের খবর অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার সকাল ১১টা নাগাদ বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী ও বিচারপতি ঋতব্রত কুমার মিত্রর ডিভিশন বেঞ্চ চলাকালীন শ্রীরামপুরের তৃণমূল সাংসদ তথা প্রবীণ আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় প্রকাশ্যে নিজের দলেরই সাংসদ সৌগত রায়ের বিরুদ্ধে কটাক্ষ করেন। তখনই তাঁর ওই মন্তব্যে আপত্তি তোলেন সিনিয়র আইনজীবী অশোককুমার নাথ। তিনি জানান, এজলাসের মতো স্থানে এমন মন্তব্য একেবারেই শোভন নয় এবং আদালতের শালীনতা রক্ষার জন্যই তিনি কল্যাণকে নিবৃত করতে চেয়েছিলেন।
অশোক নাথের দাবি, তিনি সৌগত রায়ের বিরুদ্ধে কুমন্তব্য কেন করা হচ্ছে তা জানতে চাইলে, হঠাৎই উত্তেজিত হয়ে ওঠেন কল্যাণ। অশোকের জামার কলার চেপে ধরে তাঁকে মুখে ঘুসি মারতে শুরু করেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। এই ঘটনায় অশোকের মুখে রক্তপাত হয় এবং তাঁর জামায়ও রক্ত লাগে। আদালতের মতো জায়গায় এই ঘটনা প্রত্যক্ষ করে স্তব্ধ হয়ে যান উপস্থিত অন্যান্য আইনজীবী ও আদালত কর্মীরা। ঘটনার পর অশোক রক্তমাখা রুমালটি সংরক্ষণ করেছেন, যা তিনি পুলিশের কাছে প্রমাণ হিসেবে জমা দেবেন বলে জানিয়েছেন।
আরও পড়ুনঃ Weather update : রাত পোহালেই তাপজ্বালার অবসান! বদলে যাবে গরমের চেনা ছবি, ৫ জেলায় হওয়া অফিসের সতর্কতা!
ঘটনার পরপরই হেয়ার স্ট্রিট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন আইনজীবী অশোককুমার নাথ। শুধু শারীরিক হেনস্থা নয়, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে অকথ্য ভাষায় গালাগাল, মানহানিকর মন্তব্য ও আদালতের শালীনতা লঙ্ঘনের অভিযোগ এনেছেন তিনি। রাজনৈতিক মহলেও এই ঘটনার জেরে জলঘোলা শুরু হয়েছে। সৌগত রায় নিজে যদিও এ বিষয়ে মুখ খোলেননি, তবে তৃণমূলের অন্দরে এই ঘটনায় অস্বস্তি তৈরি হয়েছে বলেই খবর। এখন দেখার, আদালতের অভ্যন্তরে ঘটেছে এমন এক বিস্ফোরক ঘটনার কী পরিণতি হয় এবং রাজনৈতিক স্তরে তার কী প্রভাব পড়ে।





