করোনা মোকাবিলায় আগামীকাল থেকে শুরু হবে তৃতীয় দফার লকডাউন। প্রথম দু’বার লকডাউনের মধ্যে মদের দোকান বন্ধ রাখারই সিদ্ধান্ত নিয়েছিল কেন্দ্র। ফলে সুরা প্রেমীরা যথেষ্টই কষ্টে ছিলেন। তবে সোমবার থেকে আসছে তাঁদের খুশির দিন।
কারণ শর্তসাপেক্ষে খুলছে মদের দোকান। খোলার অনুমতি দিয়েছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। কোন কোন রাজ্য ইতিমধ্যেই মদের দোকান খোলার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছে? কী শর্তই বা মেনে চলতে হবে? চলুন জেনে নেওয়া যাক।
প্রথমেই আসা যাক রাজধানী দিল্লির কথায়। কনটেনমেন্ট জোন বাদ দিয়ে সোমবার দিল্লিতে খুলছে সাড়ে ৪০০টি মদের দোকান। সবগুলিই স্ট্যান্ড অ্যালোন ও সরকারের খাতায় নথিভুক্ত দোকান। অর্থাৎ শপিং মল বা সুপারমার্কেটের মধ্যে নয়। ২২শে মার্চ থেকে বন্ধ থাকার পর সোমবারই শাটার উঠবে এই দোকানগুলিতে। ফলে সুরাপ্রেমীদের ভিড় যে উপচে পড়বে, তা আন্দাজ করাই যায়। আর সেই কারণেই কেন্দ্রের নির্দেশিকা মেনে চলা জরুরি। সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে। মানতে হবে স্বাস্থ্যবিধিও। দিল্লির আবগারী দপ্তর জানাচ্ছে, শপিং মল, বাজারের দোকান মিলিয়ে ৫৪৫টি মদের দোকান রয়েছে রাজধানীতে। অর্থাৎ সোমবার থেকে অধিকাংশ মদের দোকানই খুলবে, তা উপরের সংখ্যা থেকেই স্পষ্ট।
মহারাষ্ট্র সরকারের তরফে আবার জানানো হয়েছে, ৪ই মে অর্থাৎ সোমবার থেকে রেড জোনেও খোলা থাকবে মদের দোকান। তবে সংক্রমক এলাকায় কোনও দোকান খোলার অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না। প্রত্যেক লেনে পাঁচটি অনাবশ্যক দোকান খুলতে পারে। তবে অত্যাবশ্যক দোকানের ক্ষেত্রে এমন কোনও বাধানিষেধ থাকবে না। এই দুই রাজ্যের পাশাপাশি কর্ণাটক, অসম ও গোয়া সরকারও মদ কেনা-বেচার অনুমতি দিয়েছে। তবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের নির্দেশিকা মেনে সংক্রমক এলাকা বাদ দিয়ে স্যান্ড অ্যালোন মদের দোকানগুলিই সোমবার থেকে খোলা হবে। কর্ণাটকের আবগারী মন্ত্রী এইচ নাগেশ বলেন, “রেড, অরেঞ্জ ও গ্রিন- সব এলাকাতেই মদের দোকান খোলার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। শুধু শপিং মল আর জনবহুল এলাকায় ও সংক্রমক এলাকায় খোলা যাবে না।”
এবার প্রশ্ন হল, বাংলার সুরাপ্রেমীরাও কি সোমবার থেকে মদ কিনতে পারবেন? বাংলার ক্ষেত্রে সূত্রের খবর রেড জোনের ক্ষেত্রে দুপুর ১২টা থেকে সন্ধ্যা ৬ টা পর্যন্ত খোলা থাকবে মদের দোকান। তবে, কনটেইনমেন্ট জোনে যারা আছেন তাঁরা এক্ষুনি পাচ্ছেন না মদের স্বাদ। গ্রিন ও অরেঞ্জ জোনের জন্য সময়সীমা সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা। রেড জোনে দোকান খোলা হবে মঙ্গলবার থেকে।





