রাজ্য সরকারের কোনও কথাতেই কর্নপাত করেনা কেন্দ্রীয় সরকার। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে এই নিয়ে রীতিমত উষ্মা প্রকাশ করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু সোমবারের বৈঠকেই প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট করে দিয়েছিলেন লকডাউন কোথায় কতটা কার্যকর করা হবে সেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার পূর্ণ অধিকার রয়েছে রাজ্য সরকারের। আর মঙ্গলবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মুখ্যমন্ত্রী সেই রকমই ইঙ্গিত দিয়েছেন।
মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন আপাতত করোনার হাত থেকে মুক্তির তেমন কোনও সম্ভাবনা নেই। এই অবস্থায় পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য আগামী তিন মাসের জন্য পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে রাজ্য প্রশাসন। সেইমত রেড জোন চিহ্নিত এলাকা গুলিকে ৩টি ভাগে ভাগ করা হয়েছে। ‘এ’ ‘বি’ ‘সি’ হিসেবে এলাকাগুলিকে চিহ্নিত করে এলাকাভিত্তিক কিছু কিছু ছাড় দেওয়ার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে। এর ফলে অর্থনীতি কিছুটা হলেও চাঙ্গা হবে বলে মনে করছে রাজ্য প্রশাসন।
https://twitter.com/ANI/status/1260208856933691393?s=20
বর্তমানে গ্রীন ও অরেঞ্জ জোনে লকডাউনের নিময় শিথিল করা হলেও রেড জোনে কোনও রকম ছাড় দেওয়া হয়নি। এই পরিস্থিতিতে লাল জোনেও আর্থিক কাজকর্ম শুরু করেতে চাইছেন মুখ্যমন্ত্রী। তবে রেড জোনের ‘এ’ চিহ্নিত একালায় এখনই কোনও রকম ছাড় দেওয়া হবে না বলেই সূত্রের খবর। কিন্তু ‘বি’ ও ‘সি’ একালায় ছাড় দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে। ‘বি’ চিহ্নিত এলাকায় নিরাপদ শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখেই ছাড় দেওয়া হবে। ‘সি’ চিহ্নিত এলারায় প্রায় সব ক্ষেত্রেই ছাড় দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে চলছে প্রশাসন। গ্রামীণ এলাকায় অর্থনীতি চাঙ্গা করতে জেলা শাসকসহ প্রশাসনিক আর্ধিকর্তাদের সঙ্গেও কথা বলেন।





