হুগলির ভদ্রেশ্বরের তেলেনিপাড়ায় এখনও অব্যাহত। মঙ্গলবার এই ঘটনায় উদ্বেগ জানিয়ে রাজ্যপালের দ্বারস্থ হল রাজ্য বিজেপি। পুরো ঘটনায় রাজ্য সরকারকে দুষেছেন হুগলির সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়। এদিন রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করে তিনি সাংবাদিকদের জানান, “একজন সাংসদকে র্যাফ নামিয়ে আটকে দেওয়া যায় অথচ র্যাফ দিয়ে গোলমাল থামানো যায়না। আমি সোমবার অশান্তির খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যেতে চাইলে পুলিশ বাধা দেয়। আমাকে জানায় ১৪৪ ধারা জারি আছে যাওয়া যাবেনা। আমি পুলিশ কমিশনারের সঙ্গে দেখা করতে চাইলে চন্দন নগর থানায় যেতে বলা হয়। আমি সেখানে গেলেও কমিশনার আমার সঙ্গে দেখা করেন নি।”
তিনি রীতিমত ক্ষোভের সুরে বলেন, “একজন সাংসদ হয়ে যদি আমার এই অবস্থা হয় তাহলে সাধারণ মানুষের কী অবস্থা? করোনার এই সঙ্কটের সময় তাই শান্তি ফেরানোর আর্জি নিয়ে রাজ্যপালের কাছে এসেছিলাম। আমি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লাজিকেও সমস্ত বিষয় জানিয়ে চিঠি পাঠিয়েছি।” এদিন প্রতিনিধি দলে মুকুল রায়, প্রতাপ বন্দ্যোপাধ্যায়, সব্যসাচী দত্ত ও সাংসদ অর্জুন সিং ও ছিলেন। যদিও রাজ্য সরকারের তরফে লকেটের বক্তব্যের পাল্টা বক্তব্য এখনও পর্যন্ত পাওয়া যায়নি।





