স্কুটি, সাইকেল, গরুর গাড়ি, নৌকা, ট্রেন, প্রচারে কোনও যানবাহনকেই প্রায় বাদ রাখেননি চুঁচুড়ার বিজেপি প্রার্থী তথা হুগলির সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়। রাজ্যজুড়ে প্রচারে এই পরিমাণ অভিনবত্ব বোধহয় কোনও প্রার্থীই দেখাননি।
লোকসভা নির্বাচনে হুগলিবাসী নিরাশ করেনি। আর এবার তাই বিধানসভা নির্বাচনে নিজের প্রচারের কৌশলকেই প্রতিটা পদক্ষেপে ভাঙতে চেয়েছেন লকেট।

অভিনেত্রী থেকে রাজনীতিক। রাজনৈতিক জীবনটা খুব স্বল্প পরিসরের হলেও বঙ্গ রাজনীতিতে তাঁর উত্থান বিদ্যুৎ গতিতে। আর তাইতো বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী দাবিদার হওয়ার ক্ষেত্রে অনেক সময়ই তাঁর নাম শোনা গেছে।

প্রসঙ্গত, গত বিধানসভা নির্বাচনে পদ্ম-প্রার্থী লকেট ময়ূরেশ্বরে হেরেছিলেন। আর এ বার নবান্ন অভিযানে তিনি প্রার্থী হুগলির চুঁচুড়া কেন্দ্রে। বিপক্ষে তৃণমূলের অসিত মজুমদার।


প্রচারের চুঁচুড়া থেকে ব্যান্ডেল প্রায় চষে বেরিয়েছেন লকেট। নির্বাচনী প্রচারের শেষ লগ্নে গঙ্গা স্নান করে, চুঁচুড়ার ষন্ডেশ্বরতলা মন্দিরে বাবার মাথায় জল ঢেলে আশীর্বাদ চান লকেট। কাল যে পরীক্ষা। আশাবাদী লকেট বলছেন চুঁচুড়া বিধানসভা তো জিতবই। সেইসঙ্গে বাংলাও জিতবো।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের নির্বাচনের হিসেব দেখলে অবশ্য এই আসনে বিজেপি-র ভালো ফল করার তেমন কোনও আশা করাই উচিত নয়। সে বার ৫০.২৩ শতাংশ ভোট পেয়ে তৃণমূলের অসিত মজুমদার জিতেছিলেন। ব্যবধান ছিল ২৯,৬৮৪। আর বিজেপি-র চম্পা চক্রবর্তী পেয়েছিলেন ২৫,১২০ ভোট। পদ্মের ভোট প্রাপ্তির হার ছিল ১০.৬৪ শতাংশ। এ বারও বিজেপি-র লড়াই তৃণমূলের অসিতের সঙ্গেই। কিন্তু গত ৫ বছরে গঙ্গা দিয়ে অনেক জল বয়ে গিয়েছে। লকেট চট্টোপাধ্যায় এখন বঙ্গ রাজনীতিতে হেভিওয়েট প্রার্থী।





