বঙ্গোপসাগরের ওপর সৃষ্ট নিম্নচাপের জেরে যে দুর্যোগের আশঙ্কা করেছিলেন আবহাওয়াবিদরা তা সত্যি হতে চলেছে। দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে তৈরি হয়েছে নিম্নচাপ ক্ষেত্র। যা ধীরে ধীরে পরিণত হবে ঘূর্ণিঝড়ে। বুধবার এমনই পূর্বাভাস জারি করল আবহাওয়া দপ্তর।
মৌসম ভবনের তরফে প্রকাশিত বুলেটিনে জানানো হয়েছে, বুধবার সকালে দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরের ওপর লঘুচাপ ক্ষেত্র তৈরি হয়েছে। যা আগামী ১৫ই মে-র মধ্যে মধ্য বঙ্গোপসাগরে পৌঁছে তা নিম্নচাপে পরিণত হবে। এর পর ধীরে ধীরে সেটি নিজের শক্তি বাড়িয়ে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হবে। ১৬ মে ঘূর্ণিঝড়টি মধ্য-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করবে। এই পর্যন্ত ঝড়টির গতিমুখ থাকবে উত্তর পশ্চিম দিকে। ১৬ মে বিকেলের পর সেটি গতিমুখ পরিবর্তন করে উত্তরপূর্ব দিকে এগোতে থাকবে। এই ঘূর্ণিঝড়টি তৈরি হলে তার নাম হবে আমফান।
নিম্নচাপের জেরে আন্দামান ও নিকোবরের একাধিক জায়গায় ১৫ ও ১৬ মে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।১৫ই মের পর উত্তাল হয়ে উঠবে সমুদ্র। তাই আগে থেকে সমুদ্রে মাছ ধরতে যাওয়া মৎস্যজীবীদের সতর্কতা জারি করেছে আবহাওয়া দফতর।
আবহাওয়া পূর্বাভাসের একাধিক মডেল অনুসারে পশ্চিমবঙ্গেও এই ঘূর্ণিঝড় ব্যাপক প্রভাব ফেলবে। আগামী ১৯- ২০ মের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গ উপকূলবর্তী এলাকায় আছড়ে পড়তে পারে ঘূর্ণিঝড় আমফন। এই ঝড়ের বেশ প্রভাব পড়বে এই রাজ্যে বলে মনে করেছে আবহাওয়া দপ্তর। সেক্ষেক্রে উপকূলবর্তী এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির সম্ভাবনাও রয়েছে।





