রাজ্য পুলিশের সিভিক ভলান্টিয়াররাও কলকাতা পুলিশের সিভিকদের মতোই বোনাস পাবে, শুভেন্দু তারতম্যের অভিযোগ আনতেই ঘোষণা মমতার

আর কোনও পার্থক্য থাকবে না রাজ্য পুলিশের সিভিক ও কলকাতা পুলিশের সিভিকের বোনাসের মধ্যে। এবার থেকে রাজ্য পুলিশের সিভিক ভলান্টিয়াররাও সেই একই বোনাস পাবেন যা কলকাতা পুলিশের অধীনে কাজ করা সিভিক ভলান্টিয়াররা পেয়ে থাকেন। দেবীপক্ষ সূচনার আগের দিন এমনটাই ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

সিভিকদের বোনাসের তারতম্য নিয়ে প্রশ্ন তোলেন শুভেন্দু

কলকাতা পুলিশ ও রাজ্য পুলিশের সিভিকদের বোনাস নিয়ে এদিনই সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট করেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তাদের বোনাসের তারতম্য নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন তিনি। দুটি ছবি পোস্ট করে তা স্পষ্ট বুঝিয়েও দেন তিনি।

সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে শুভেন্দু লেখেন, “পুজোয় কলকাতা পুলিশের সিভিক বোনাস পাবে পাঁচ হাজার তিনশত টাকা করে, আর বাকি রাজ্যে কর্মরত সিভিক পাবে দু’হাজার টাকা করে। এটা কেমন বিচার? দক্ষিণ কলকাতা কেন্দ্রিক প্রশাসন এতটা এক চোখা, এত পক্ষপাতদুষ্ট? কলকাতা পুলিশের সিভিক ভলান্টিয়ার পাঁচ হাজার তিনশত টাকা করে বোনাস পেতেই পারেন, এতে আমার কোনও আপত্তি নেই, কিন্তু রাজ্যের সমস্ত সিভিক ভলান্টিয়াররাই যেন সমান অঙ্কের বোনাস পান, কোনও বৈষম্য চলবে না”।

তাঁর এহেন পোস্টের কিছু ঘণ্টার মধ্যেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একটি ঘোষণা করেন। জানান, এবার কলকাতা পুলিশের সিভিকদের মতোই একই হারে বোনাস পাবেন রাজ্য পুলিশের সিভিকরা। মমতা এক্স হ্যান্ডেলে লেখেন, “কিছু খারাপ মানসিকতার বাহক রাজ্য পুলিশ ও কলকাতা পুলিশের মধ্যে ভাগাভাগির চেষ্টা করছে। আমি নিশ্চিত করছি রাজ্য পুলিশের সিভিক ভলান্টিয়ারও পুজো বোনাস হিসাবে ৫ হাজার ৩০০ টাকা পাবেন। যেমন কলকাতা পুলিশ পাচ্ছে। আশা কর্মীরাও ৫ হাজার ৩০০ টাকাই বোনাস পাবেন”। যদিও নিজের পোস্টে কারোর নাম সরাসরি উল্লেখ করেন নি তিনি।

https://twitter.com/MamataOfficial/status/1712777465465045469?ref_src=twsrc%5Etfw%7Ctwcamp%5Etweetembed%7Ctwterm%5E1712777465465045469%7Ctwgr%5Eaece004b131bdf0b7c6d85e96ec44d38aa2c898c%7Ctwcon%5Es1_&ref_url=https%3A%2F%2Ftv9bangla.com%2Fkolkata%2Fmamata-banerjee-assure-that-civic-volunteers-of-wbp-will-also-receive-puja-bonus-of-rs-5300-like-their-counterparts-in-kp-927261.html

মমতার এই ঘোষণার পরই সংবাদমাধ্যমে শুভেন্দু বলেন, “ঠ্যালায় না পড়লে বিড়াল গাছে ওঠে না। এই রাজ্যে বৈষম্য নিয়ে মুখ খোলার কারও সাহস নেই। সেই কারণে সব গয়ং গচ্ছ ভাবে চলছে। প্রতিবাদ প্রতিরোধ করলে তবেই শাসকের টনক নড়বে, নইলে না”।

RELATED Articles