আজ, রবিবার ছিল ব্রিগেডে তৃণমূলের হাইভোল্টেজ সভা। যার পোশাকি নাম জনগর্জন সভা। এদিনের সভায় ঘটল এক ইতিহাস যা বঙ্গ রাজনীতিতে আগে কখনও ঘটে নি। এই ব্রিগেডের সভা থেকেই আসন্ন লোকসভা নির্বাচনের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে তৃণমূল।
এদিন ব্রিগেডের সভা থেকে ফের একবার কেন্দ্রকে আক্রমণ শানান তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ১০০ দিনের কাজের টাকা ফেরানোর সঙ্গে সঙ্গে এবার আবাসের বাড়িও রাজ্য সরকারই বানিয়ে দেবে, এমন ঘোষণা করলেন তিনি।
কী বললেন তৃণমূল সুপ্রিমো?
এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “২ বছর ধরে আবাসের বাড়ির টাকা দেয়নি। স্কুটিনি করার পরও দেয়নি। ১ মের মধ্যে আবাসের টাকা কেন্দ্র না দিলে আমরা দেব, আমাদের সরকার থেকে গরিব মানুষের জন্য ওই টাকা দেওয়া হবে। ব্রিগেডের মঞ্চ থেকে আমি এই ঘোষণা করে যাচ্ছি”।
গত মাসেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেছিলেন যে বাংলার ২১ লক্ষ শ্রমিক যারা ১০০ দিনের কাজের টাকা পান নি, তাদের সেই টাকা রাজ্য সরকার দেবে। এই নিয়ে কেন্দ্রের বঞ্চনার বিরুদ্ধে ধর্নাতেও বসেন তিনি। এরপর সমীক্ষা করে দেখা যায়, বঞ্চিত এই শ্রমিকদের সংখ্যা ২১ লক্ষ নয়, প্রায় ৫৯ লক্ষ।
এই নিয়েও এদিন কেন্দ্রকে কটাক্ষ করেন মমতা। বলেন, “”প্রথমে ভেবেছিলাম ২১ লাখ। সার্ভে করতে গিয়ে অভিষেকরা দেখল ৫৯ লাখ লোক। কেন্দ্রের বঞ্চনা সত্ত্বেও আমরা গত সপ্তাহে ওদের টাকা মিটিয়ে দিয়েছি। কেন্দ্র টাকা দিচ্ছে না, এদিকে মিথ্যে বলে বেড়াচ্ছে টাকা দিয়ে দিয়েছেন”।
ব্রিগেডের মঞ্চ থেকে মোদীকে কটাক্ষ করে মমতার প্রশ্ন, “কী মোদীবাবু, টাকা না দিয়েই বলছেন, খেয়ে ফেলেছেন। তাহলে দিলে কী বলতেন। আমরা ওদের ধার ধারি না, নিজেরাই বাংলার মানুষের চাহিদা মেটাব”।
জনগণের উদ্দেশে মমতার বার্তা, “লড়াই করতে গেলে তো শক্তি প্রয়োজন। সেই শক্তিটা পেতে গেলে তো আপনাদের আর্শীবাদ দরকার। আপনারা সেই শক্তি না দিলে আমরা লড়ব কীভাবে? বিজেপি গতবারে ১৮টা আসনে জিতেছিল। বিধানসভায়ও কিছু আসনে জিতেছিল। কোনও কাজ করেনি। উল্টে দিল্লিতে গিয়ে বলে আসছে টাকা না দিতে। এরপরও কী ওদের ভোট দেবেন”?






