Mamata Banerjee Gave Big Message for Bangladeshi Refugees: বাংলাদেশে এই মুহূর্তে উত্তপ্ত পরিস্থিতি। রক্তক্ষরণের যেন ইতি নেই। কোটা বিরোধী আন্দোলনকে কেন্দ্র করে ওপার বাংলায় যেন মৃত্যু মিছিল। ১৩৩ জনে মৃত্যু হয়েছে ইতিমধ্যেই। আহত হাজার হাজার মানুষ। এবার একুশের মঞ্চ থেকে বাংলাদেশের পরিস্থিতি নিয়ে মন্তব্য করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাংলাদেশী শরণার্থীদের সাহায্যের বার্তা দিলেন তিনি (Mamata Banerjee Gave Big Message for Bangladeshi Refugees)।
ঠিক কী বলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee Gave Big Message for Bangladeshi Refugees)?
এদিন একুশের মঞ্চ থেকে বঙ্গ রাজনীতি নিয়ে কথা বলতে বলতেই বাংলাদেশের প্রসঙ্গ টানেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বলেই দেন, “বাংলাদেশে যদি আপনাদের কোনও পরিবার থাকে, পরিজন থাকে, কেউ পড়াশোনা করতে যান, কেউ চিকিৎসা করতে এসে ফিরতে না পারেন, যদি কোনও সহযোগিতার প্রয়োজন হয় আমরা করব” (Mamata Banerjee Gave Big Message for Bangladeshi Refugees)।
তিনি যে বাংলাদেশ নিয়ে খাতায়-কলমে কোনও বিবৃতি দিতে পারেন না, একথাও এদিন একুশের মঞ্চ থেকে জানান মমতা। বলেন, “আমি বাংলাদেশ নিয়ে কোনও কথা বলতে পারি না। কারণ ওটা একটা আলাদা দেশ। যা বলার ভারত সরকার বলবে। কিন্তু আমি এটুকু বলতে পারি, অসহায় মানুষ যদি বাংলার দরজার কড়া নাড়ে তাহলে আমরা তাঁদের আশ্রয় নিশ্চয় দেব। কারণ ইউনাইটেড নেশনসের রেজলিউশন আছে। কেউ যদি রিফিউজি হয়ে যায় তাহলে পাশের পার্শ্ববর্তী এলাকা তাকে সম্মান জানাবে” (Mamata Banerjee Gave Big Message for Bangladeshi Refugees)।
অসমের প্রসঙ্গ টেনে মমতার মন্তব্য, “যেমন অসমে একটা গন্ডগোল হয়েছিল। আলিপুরদুয়ারে তাঁরা দীর্ঘদিন ছিলেন। আমিও গিয়েছিলাম তাঁদের সঙ্গে দেখা করতে। কিন্তু আপনাদের কাছে আমার আবেদন, বাংলাদেশ নিয়ে আমরা যেন কোনও প্ররোচনাতে না যাই, কোনও উত্তেজনাতে না যাই। ছাত্রছাত্রীদের তাজা প্রাণগুলি চলে যাচ্ছে। যারই রক্ত ঝরুক, তাঁদের জন্য আমাদের দুঃখ, সবমর্মিতা আছে। আমরাও খবর রাখছি”।
বলে রাখি, এদিন একদিকে যখন মমতা একুশের মঞ্চ থেকে বাংলাদেশ নিয়ে মন্তব্য করছেন, ঠিক তখনই ওপার বাংলা থেকে এল এক সুখবর (Mamata Banerjee Gave Big Message for Bangladeshi Refugees)। আজ, রবিবার কোটা সংরক্ষণ নিয়ে রায়দানের দিন ছিল সুপ্রিম কোর্টে। এদিন সুপ্রিম কোর্টে হাইকোর্টের রায়কে বাতিল করা হয়। সুপ্রিম কোর্টের তরফে জানানো হয়েছে, এবার থেকে বাংলাদেশে মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ হবে ৯৩ শতাংশ। বাকি ৭ শতাংশের মধ্যে ৫ শতাংশ সুরক্ষিত থাকবে মুক্তিযোদ্ধাদের পরিবারের জন্য, ১ শতাংশ থাকবে নৃগোষ্ঠীর জন্য আর বাকি ১ শতাংশ সুরক্ষিত থাকবে প্রতিবন্ধী ও তৃতীয় লিঙ্গের জন্য। এমনটা হয়ে যে আন্দোলনকারীদের জয়ই হল, তা বলাই যায়!





