‘সরকার স্বৈরাচারী হয়ে উঠেছে, এখন শুধু কাঠামোটুকু অবশিষ্ট’, তোপ দাগলেন দিলীপ

রাজ্য সরকারের আর কিছু অবশিষ্ট নেই পরে আছে শুধু একটা কাঠামো। এমনটাই বৃহস্পতিবার সাংবাদিক সম্মেলনে দাবি করলেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ। ২০২০ প্রায় অর্ধেক চলেই গেছে। এরপর বছর ঘুরলেই পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন। করোনার আবহে এবার তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের প্রতি তীব্র কটাক্ষ করলেন দিলীপ বাবু। বনগাঁয় বিজেপি নেতার ওপর সম্প্রতি যে হামলা হয়েছে সেই প্রসঙ্গ টেনে তিনি সরকারের নৈতিকতার ওপর প্রশ্ন তোলেন।

এদিন দিলীপবাবু বলেন, ‘বনগাঁয় তৃণমূলের নির্বিচারে মারধরের জেরে এক বিজেপি নেতা মারাত্মক জখম হয়ে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন। এছাড়া রাজ্যে দিন দিন করোনা আক্রান্তদের সংখ্যা বেড়েই চলেছে, তার সাথে বাড়ছে মৃত্যুও। সরকার কাউকেই বাঁচাতে পারছে না।আবার সুস্থ মানুষদেরকে মার খাওয়াচ্ছে। পুলিশদের দিয়ে অত্যাচার করাচ্ছে।’

তোপ দেগে দিলীপ ঘোষ আরও বলেন, ‘এই সরকার এখন অমানবিক ও স্বৈরাচারী হয়ে উঠেছে। তারা বিরোধীদের সঙ্গে যে আচরণ করতে শুরু করেছে তাতে তাদের সংকীর্ণ মানসিকতা প্রকাশ পাচ্ছে। তারা এখন নৈতিকভাবে পরাস্ত মানে হেরে গেছে। শুধু নিজেদের সত্ত্বাটাকে বাঁচিয়ে রাখতে এত কিছু করছে। সরকার এখন ফাঁপা হয়ে গেছে শুধু কাঠামোটাই অবশিষ্ট পড়ে আছে। মানুষও এখন এদের বিরুদ্ধে। তাই আমাদের কর্মীদের ওপর যথেচ্ছাচার চালাচ্ছে। ওরা যদি মনে করেন গুন্ডা আর পুলিশ দিয়ে গদি দখল করবে তাহলে এটা ওদের মস্ত ভুল।’

প্রসঙ্গত,বৃহস্পতিবার দুপুরে বনগাঁর বিএসএফ মোড়ের কাছে ব্যাপক মারধর করা হয় স্থানীয় বিজেপি নেতা সুতনু হালদারকে। এই ঘটনায় অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। তাদের আশ্রিত গুন্ডারা রড – লাঠি দিয়ে বেধরক মারধর করেন বলে অভিযোগ সুতনু হালদারকে। এরপর গুরুতর জখম অবস্থায় তাঁকে বনগাঁ মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে গেলে জানা যায়, মাত্রাতিরিক্ত মারের কারণে তার ২টি হাত ও ১টি পা ভেঙেছে। আপাতত তাঁকে বারাসতের একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

RELATED Articles

Leave a Comment