ভোটের আগে আবারও চড়ছে রাজনৈতিক পারদ। শহরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র ভবানীপুর ঘিরে বাড়ছে চাপানউতোর, আর সেই আবহেই দলীয় কর্মীদের উদ্দেশে বার্তা দিলেন তৃণমূল নেতৃত্ব। নির্বাচনের সময় যত এগোচ্ছে, ততই সংগঠনকে আরও সক্রিয় রাখার উপর জোর বাড়ছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।
রবিবার এক রুদ্ধদ্বার বৈঠকে দলীয় কর্মীদের স্পষ্ট বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সূত্রের দাবি, ভোট শেষ হলেই যেন কর্মীরা বাড়ি ফিরে না যান—এই নির্দেশই দেওয়া হয়েছে। তাঁর আশঙ্কা, ভোট প্রক্রিয়ার গুরুত্বপূর্ণ সময়ে কোনও অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। বিশেষ করে ‘লোডশেডিং’ নিয়ে সতর্ক থাকার কথাও নাকি উল্লেখ করেছেন তিনি।
এই সতর্কবার্তার পেছনে রয়েছে অতীতের অভিজ্ঞতা। ২০২১ সালের নন্দীগ্রাম নির্বাচনের প্রসঙ্গ টেনে কর্মীদের সতর্ক করেন তৃণমূল নেত্রী। তখন ভোটগণনার সময় বিদ্যুৎ বিভ্রাট ঘটিয়ে কারচুপির অভিযোগ উঠেছিল। সেই স্মৃতি মনে করিয়ে দিয়ে তিনি বুঝিয়ে দেন, এবার কোনও ঝুঁকি নিতে নারাজ দল। স্ট্রং রুমে নজরদারি বাড়ানোর কথাও বলা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।
বৈঠকে ভবানীপুরের সঙ্গে নিজের দীর্ঘ সম্পর্কের কথাও তুলে ধরেন মমতা। তিনি জানান, এই কেন্দ্র শুধুই একটি রাজনৈতিক এলাকা নয়, বরং আবেগের জায়গা। বিভিন্ন ধর্ম ও ভাষার মানুষের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগের কথাও উল্লেখ করেন। একইসঙ্গে কর্মীদের আরও সংগঠিত হয়ে কাজ করার নির্দেশ দেন, যাতে ভোটের প্রতিটি ধাপ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়।
আরও পড়ুনঃ RG KAR Medical Hospital: মর্মা*ন্তিক আরজি কর! স্ট্রেচার চেয়েও মেলেনি, বেঘোরে প্রাণ গেল রোগীর! মুখ্যমন্ত্রীর ‘দুয়ারে চিকিৎসা’ ঘোষণার মাঝেই রাজ্যের সরকারি হাসপাতাল নিয়ে ফের বিত*র্ক!
অন্যদিকে, বিজেপিকে নিশানা করতেও ছাড়েননি তিনি। ভোটে প্রভাব খাটানোর অভিযোগ থেকে শুরু করে বিভিন্ন ইস্যুতে সরব হন। তবে তাঁর এই মন্তব্য ঘিরে পাল্টা কটাক্ষ করেছে বিরোধী শিবিরও। তাদের দাবি, অতীতের পরাজয়ের আক্ষেপ থেকেই এমন মন্তব্য করা হচ্ছে। সব মিলিয়ে ভবানীপুরে লড়াই যে ক্রমশ তীব্র হচ্ছে, তা স্পষ্ট।





