Naushad Siddiqui Met Mamata Banerjee at Assembly: সপ্তাহের শুরুতেই বিধানসভায় তুমুল জল্পনা। আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকি দেখা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে (Naushad Siddiqui Met Mamata Banerjee at Assembly)। আর এরপরই এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুরু বেজায় চর্চা। এবার কী তাহলে একজোট হতে চলেছে আইএসএফ ও তৃণমূল? উঠছে এমনই প্রশ্ন।
সূত্রের খবর, আজ, সোমবার বিধানসভায় ফিরহাদ হাকিমকে নাকি দেখা যায় নওশাদের কানে কিছু একটা বলতে। জানা গিয়েছে, ফিরহাদ তাঁকে জানান যে মুখ্যমন্ত্রী তাঁকে ডাকছেন। সেকথা শুনে নিজের আসন ছেড়ে উঠে যান নওশাদ। এরপর বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী কক্ষে গিয়ে তিনি দেখা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে (Naushad Siddiqui Met Mamata Banerjee at Assembly)।
সাধারণত দুই রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের মধ্যে আলাদা করে কোনও কথোপকথন হলে ঠিক কী বিষয় নিয়ে কথা হয়, তা জানা খুব কঠিন (Naushad Siddiqui Met Mamata Banerjee at Assembly)। কারণ দুই নেতা বা নেত্রীর কেউই খোলসা করে এই বিষয়ে যে কিছু বলবেন না সেটাই স্বাভাবিক। এক্ষেত্রেও তেমনই হল।
নওশাদ মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে বেরিয়ে আসার পরই তাঁকে সাংবাদিকদের তরফে প্রশ্ন করা হয় যে কী কথা হয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে (Naushad Siddiqui Met Mamata Banerjee at Assembly)। নওশাদ জানান, ফুরফুরা শরিফের বিষয়ে ব্যক্তিগত কিছু কথা ছিল। আসলে, ফুরফুরা শরিফে পীরজাদা আব্বাস সিদ্দিকির ভাই নওশাদ সিদ্দিকি। ফুরফুরা শরিফের বিষয়ে কখনও কোনও মন্তব্য করতে শোনা যায় না তাঁকে। নিজের নির্বাচন কেন্দ্র ভাঙড় নিয়েই থাকেন নওশাদ। ফুরফুরা শরিফের উন্নয়নের ব্যাপারে আবার তৃণমূলের সঙ্গে বেশি যোগাযোগ রাখেন অন্য এক পীরজাদা ত্বহা সিদ্দিকি।
এর ফলে নওশাদ মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করার পর যা বললেন, তাতে সকলেই বেশ সন্দিহান। এর আগে একবার তৃণমূলের তরফে নওশাদ সিদ্দিকিকে দলে যোগ দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। তাতে রাজি হন নওশাদ। তিনি সাফ জানিয়েছিলেন, তৃণমূলের সঙ্গে হাত মেলানোর কোনও প্রশ্নই নেই। তবে এদিন মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে মমতার আলাদাভাবে কথা বলার পর রাজনৈতিক ময়দানে নতুন কোনও সমীকরণের জল্পনা যে তৈরি হল, তা বলাই বাহুল্য (Naushad Siddiqui Met Mamata Banerjee at Assembly)।
প্রসঙ্গত, এর আগে একবার শুভেন্দু অধিকারীর বিধানসভায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘরে গিয়ে আলাদা করে কথা বলা নিয়ে বেশ জল্পনা তৈরি হয়েছিল। সেই সময় এও শোনা গিয়েছিল, শুভেন্দু নাকি মমতার পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করেছেন। সেই ঘটনার কিছুদিন পর এই বিষয় নিয়ে নিজের ব্যাখ্যা দিয়েছিলেন শুভেন্দু। এবার নওশাদও তেমনই করেন কী না, সেটাই দেখার!





