এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গত শনিবার ইডি গ্রেফতার করে পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে। পার্থর ঘনিষ্ঠ বান্ধবী অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার হয়েছে টাকার পাহাড়। তাঁকেও গ্রেফতার করেছে ইডি। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকদের জেরায় অর্পিতা স্বীকার করেছেন যে সেই টাকা পার্থ চট্টোপাধ্যায়েরই। পার্থর কর্মীরাই সেই টাকা অর্পিতার ফ্ল্যাটে রেখে যেতেন বলে খবর।
পার্থ গ্রেফতার হওয়ার পর থেকেই একটি প্রশ্ন বারবার উঠে এসেছে যে তাঁকে কী এবার তবে মন্ত্রিত্বের পদ থেকে সরানো হবে? পার্থর গ্রেফতারির পর অবশ্য ফিরহাদ হাকিম, কুণাল ঘোষ এমনকি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও জানিয়েছিলেন যে দোষী প্রমাণিত হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে তার আগে কোনও ব্যবস্থা নেবে না দল।
আজ, বৃহস্পতিবার মন্ত্রিসভার বৈঠক ছিল। মনে করাই হয়েছিল যে এদিনের এই বৈঠকে পার্থর ভাগ্য নির্ধারণ হবে। পার্থর বিষয়েই কোনও সিদ্ধান্ত নেবে দল। আর সেই জল্পনাই সত্যি হল। দুর্নীতি কাণ্ডে নাম জড়ানোর জন্য তিনটি দফতর অর্থাৎ রাজ্যের শিল্প, তথ্যপ্রযুক্তি ও পরিষদীয়, এই তিন দফতরের মন্ত্রিত্ব থেকেই অপসারণ করা হয়েছে পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে।
আজ বৈঠক শেষে নবান্নের তরফে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে এমনটাই জানানো হয়েছে যে পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে সরকার সমস্ত পদ থেকে অপসারণ করল। বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী জানান যে এই তিনটি দফতর আপাতত মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই দেখবেন।





