দেশব্যাপী করোনা সংক্রমন ঠেকাতে চলছে লকডাউনের প্রক্রিয়া। তার মধ্যে রেড জোন হাওড়ার টিকিয়াপাড়ায় প্রায় সহস্রাধিক মানুষের জমায়েত হল আজ! স্বাস্থ্যবিধিকে উপেক্ষা করে চলে শান্তি মিছিল। ঘটনায় পুলিশের কার্যকারীতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে বিভিন্ন মহলে।
কিছুদিন আগে হাওড়ার টিকিয়াপাড়ায় বেলিলিয়াস রোডে লকডাউন উপেক্ষা করে মানুষের জমায়েত হয়। সেই জমায়েতকে ছত্রভঙ্গ করতে এলে ইটবৃষ্টি করা হয় পুলিশের দিকে। আহত হন হাওড়া জেলা পুলিশ। এছাড়াও পুলিশের দুটি গাড়িও ভাঙচুর করা হয়। পাশাপাশি ঘটনায় চিকিৎসকরাও আক্রান্ত হন।
West Bengal police making a mockery of Red Zone in Howrah’s Tikiapara! If this is how the police is enforcing lockdown in sensitive zones, one can only imagine what is happening in rest of Bengal. Has Mamata Banerjee government abdicated all its responsibilities? pic.twitter.com/TaUoWVVkJr
— BJP Bengal (@BJP4Bengal) May 3, 2020
এবার রবিবার ফের জমায়েতের ঘটনা ঘটে টিকিয়াপাড়ায়। সেদিনের ঘটনার বিরুদ্ধে শান্তিপূর্ন মিছিল বের হয় টিকিয়াপাড়া থেকে হাওড়া ময়দান অবধি। সেদিনের ঘটনার অনুতাপ থেকেই এই মিছিল বের হয় বলে পুলিশ সূত্রে খবর। কিন্তু কেন এই মিছিল চলল? সরকারি নির্দেশিকাকে অমান্য করে এই মিছিলকে রাস্তায় নামতে দেখে পুলিশের কি ভূমিকা ছিল? এমন নানা প্রশ্ন উঠছে চারিদিকে।
চিকিৎসকদের মতে, ‘এই সময় বার বার বলা হচ্ছে সোশ্যাল ডিস্টানসিং মেনে চলতে। অনেক মানুষ এক জায়গায় জড়ো না হতে। তারপরেও কেন এই ঘটনা? হাওড়ার টিকিয়াপাড়া এখন কন্টেনমেন্ট জোনের মধ্যে পরে। তারপরেও সোশ্যাল ডিস্টানসিং না মেনে মিছিলে এত মানুষের জমায়েত করোনা সংক্রমনের আশঙ্কাকে বৃদ্ধি করছে। ওই জমায়েতে যদি কোনো করোনা আক্রান্ত মানুষ থাকেন তবে সংক্রমনের সংখ্যা হু হু করে বেড়ে যাবে।’
অন্যদিকে পুলিশের দাবি, ভিড় দেখা মাত্র তারা জমায়েতকে সরানোর চেষ্টা করে। সাধারণ মানুষ নিজেদের কৃতকর্মের প্রায়শ্চিত্ত স্বরূপ শান্তিপূর্ণ মিছিলের আয়োজন করেছিল। এরপর পুলিশ তাদের অনেক বুঝিয়ে বাড়ি পাঠায়। এই ঘটনায় পুলিশের মুখ্য ভূমিকা নিয়ে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে চারিদিকে। তবে এই ঘটনা করোনা সংক্রমনে কতটা প্রভাব ফেলবে সেটাই এখন দেখার বিষয়।





