ভোট মিটলেও এখনও কাটেনি ভোটের রেশ। ভোটের ফলাফলের পর থেকেই রাজ্যজুড়ে শুরু হয়েছে হিংসা। এর প্রতিবাদে গান্ধীমূর্তির পাদদেশে ধর্নায় বসেন বিজেপির সদ্যনির্বাচিত বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পাল, রাজ্যসভায় বিজেপি সাংসদ রূপা গঙ্গোপাধ্যায়, ও কোয়েম্বাটুরের বিজেপি বিধায়ক বনতি শ্রীনিবাসন-সহ আরও অনেকে। কিন্তু এরপরই এই তিন জনপ্রতিনিধিকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
এদিকে, আজ, শুক্রবারই বিধায়ক হিসাবে শপথ নিয়েছেন আসানসোল দক্ষিণ থেকে নির্বাচিত বিজেপি প্রার্থী অগ্নিমিত্রা পাল। এদিন শপথ নিয়ে বিধানসভা থেকে বেরিয়ে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, “মানুষের সেবা করার স্বপ্ন দেখেছিলাম। স্বপ্ন সত্যি হল। দল ক্ষমতায় এলে আরও ভাল লাগত”।
আরও পড়ুন- পরনে সাদামাটা শাড়ি, ভাড়ার গাড়ি করেই বিধানসভায় শপথ নিতে পৌঁছলেন শালতোড়ার দিনমজুরের স্ত্রী চন্দনা
এরই সঙ্গে তাঁর অভিযোগ, “রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে হিংসায় প্ররোচনা দিচ্ছে তৃণমূল। হিংসা ছড়াতে চাইছে তারা। পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে রাজ্যকে অশান্ত করতে চায় শাসকদল। মুখ্যমন্ত্রীকে বলবো হিংসায় লাগাম পরান। পরিস্থিতি এমনই যে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী আক্রান্তদের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে গাড়ি থেকে নামামাত্র হামলা হচ্ছে”।
এদিন বিজেপির উক্ত তিন জনপ্রতিনিধিকে গ্রেফতার করে লালবাজারে নিয়ে যায় পুলিশ। কিছুক্ষণ পর অবশ্য তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয়। লালবাজারের তরফে জানানো হয়েছে, বেআইনি জমায়েত করায়এই তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছিল।
উল্লেখ্য, ভোটের মধ্যেই নির্বাচন কমিশন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ভোটপ্রচারে নিষিদ্ধ করায় কোনও অনুমতি ছাড়াই তিনি গান্ধীমূর্তির পাদদেশে ধর্নায় বসেছিলেন। সে সময় কলকাতা পুলিশ কোনও রকম বাধার সৃষ্টি করেনি। তবে তখন যদিও কমিশনের হাতেই ছিল পুলিশের নিয়ন্ত্রণ।





