পেঁয়াজ কাটলে চোখ থেকে জল পড়ে। তবে এখন আর পেঁয়াজ কাটার দরকার নেই, পেঁয়াজের দাম শুনলেই চোখ থেকে টপটপ করে জল পড়বে। মধ্যবিত্তের হেঁশেলে এবার রাশ টানা হচ্ছে পেঁয়াজে। কিছুদিন আগেও নানান বাজারে পেঁয়াজ বিকিয়েছে ৩০-৪০ টাকা কেজি দরে। কিন্তু হঠাৎই সেই পেঁয়াজের দাম গিয়ে ঠেকেছে ৬০ টাকায়। পেঁয়াজের দাম নাকি সেঞ্চুরি ছাড়াবে, এমনটাই জানালেন চাষিরা।
কিন্তু কেন এত দাম বাড়ছে পেঁয়াজের?
বিক্রেতাদের কথায়, যে পেঁয়াজ নাসিক ও অন্ধপ্রদেশ থেকে সড়কপথে খড়গপুর হয়ে জেলার বাজারে আসে, সেই পেঁয়াজ কিনতে চড়া দাম দিতে হচ্ছে। সেই কারণেই পেঁয়াজের দামও এখানে বেড়েছে। আবার কর্নাটক ও মহারাষ্ট্রে বৃষ্টি কম হওয়ার কারণে পেঁয়াজের ফলনও কম হচ্ছে। এর জেরে দামে পড়ছে প্রভাব।
বিক্রেতারা জানান, তাদের স্টকে যে পুরনো পেঁয়াজ ছিল, সেটাই তারা ৬০ টাকা করে বিক্রি করছেন। তবে কয়েক দিনের মধ্যে যখন নতুন পেঁয়াজ আসবে, তখন সেই দাম আরও বেড়ে যাবে। চাষিদের আশঙ্কা, পেঁয়াজের দাম ১০০ টাকা কেজিতেও পৌঁছতে পারে।
তবে তারা এও জানাচ্ছেন যে পেঁয়াজের দাম বাড়লেও, সেই দাম বেশিদিন স্থায়ী হবে না। একশো টাকা দাম উঠলেও, তিন-চারদিনের মধ্যেই ফের সেই দাম কমে যাবে। এই ব্যবসায়ীর কথায়, “দিন দশেক আগে এর দাম ছিল ৩০-৪০ টাকা। নাসিকের আমদানি কম। হঠ করে দাম বেড়ে যাওয়ায় আমরা সমস্যায় পড়ছি। যে মাল আজ গিয়ে কিনছি ৪০ টাকায়, পরের দিন গিয়ে দেখছিল ৫৫ টাকা হয়ে গিয়েছে। খরিদ্দার তো মাল কিনতে চাইছে না”।
পেঁয়াজের ন্যূনতম রফতানি মূল্য বেঁধে দিয়েছে কেন্দ্র সরকার। ২৯ থেকে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত সেই দামই কার্যকর থাকবে পেঁয়াজের জন্য। পেঁয়াজের দাম ৬৭ টাকার আশেপাশেই থাকবে বলে জানা গিয়েছে।





