মা-বাবার পরই নাকি আমাদের জীবনে শিক্ষকের স্থান হয়। কারণ মা-বাবার পর আমারা যাদের থেকে প্রাথমিক শিক্ষা পাই, তারা হলেন শিক্ষক। তাদের মা-বাবার সমতুল্য ধরা হয়। কিন্তু সেই শিক্ষকই যখন নিজের নীতি থেকে সরে আসেন, তখন আর তাঁর প্রতি সম্মান থাকে না।
ফের একবার রাজ্যে শিশুদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠল প্রশ্ন। চতুর্থ শ্রেণীর এক নাবালিকাকে ধ’র্ষ’ণের অভিযোগ উঠল গৃহশিক্ষকের বিরুদ্ধে। ঘটনার পর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ওই নাবালিকা। অভিযুক্ত ওই শিক্ষককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ঘটনাটি ঘটেছে গতকাল, বৃহস্পতিবার পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশপুর থানা এলাকায়।
কী ঘটেছে গোটা ঘটনাটি?
নাবালিকার পরিবারের দাবী, গতকাল, বৃহস্পতিবার সকালে অভিযুক্ত ওই শিক্ষক বাড়িতে পড়তে ডাকে চতুর্থ শ্রেণির ওই পড়ুয়া। অভিযোগ, এদিন সকালে অতিরিক্ত সময় পড়ানোর অজুহাতে নাবালিকাকে বেশি সময় আটকে রাখে ওই গৃহশিক্ষক। সেই সময় বছর এগারোর ওই নাবালিকার উপর শারীরিক নির্যাতন চালানো হয় বলে অভিযোগ পরিবারের।
ঘটনার দিন বাড়ি ফিরে কান্নায় ভেঙে পড়ে ওই নাবালিকা। বাড়ির লোকজনকে সমস্ত ঘটনা খুলে জানায় সে। বাড়ি ফেরার পর থেকেই বেশ অসুস্থ বোধ করছিল ওই নাবালিকা। সেই কারণে আর দেরি না করে তাকে নিয়ে স্থানীয় হাসপাতালে ছোটে তার পরিবার। পরে মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয় ওই নাবালিকাকে।
এদিন সন্ধ্যেতেই ওই গৃহশিক্ষকের বিরুদ্ধে কেশপুর থানায় লিখিত অভিযোগ জানায় নাবালিকার পরিবার। অভিযোগ পেয়েই তড়িঘড়ি তদন্ত শুরু করেন পুলিশকর্মীরা। পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে ওই গৃহশিক্ষককে ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করেছে পুলিশ। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে পকসো আইনে ধ’র্ষ’ণের মামলা রুজু করা হয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় তুমুল শোরগোল পড়ে যায়।





