আর জি কর কাণ্ডে এই মুহূর্তে গোটা বাংলা-সহ দেশ উত্তাল। নানান মহলের মানুষ প্রতিবাদ জানাচ্ছেন এই ঘটনার। দোষীদের শাস্তির দাবী উঠেছে। এমন আবহে এবার সিজিও কমপ্লেক্স থেকে স্বাস্থ্যভবন পর্যন্ত প্রতিবাদ মিছিলে নামলেন জুনিয়র চিকিৎসকরা। সঙ্গে সিনিয়র চিকিৎসকরাও রয়েছেন।
আর জি কর ঘটনার তদন্ত করছে সিবিআই। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত একজনকেই গ্রেফতার করা হয়েছে। ঘটনার দশদিন কেটে গেলেও কেন অন্য কোনও দোষী ধরা পড়ল না, সিবিআইয়ের তদন্তের গতিপ্রকৃতি নিয়ে প্রশ্ন তুলে এবার আন্দোলন চিকিৎসকদের। রাজ্য ও অন্য রাজ্যের ৩১টি মেডিক্যাল কলেজের জুনিয়র চিকিৎসকদের ফোরামের তরফে এই প্রতিবাদ মিছিল হচ্ছে।
আর জি করের তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ-খুনের ঘটনায় সঞ্জয় রায় নামে একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে আন্দোলনকারীদের বক্তব্য, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট যা বলছে, তা অনুযায়ী এই ঘটনা কারও একার পক্ষে ঘটানো অসম্ভব। একজনকে গ্রেফতার করা হলেও বাকি দোষীরা কোথায়। এই প্রশ্ন তুলেই এদিন সিজিও কমপ্লেক্স থেকে স্বাস্থ্যভবন অভিযান করেন চিকিৎসকরা।
এদিন সাড়ে ১২টা নাগাদ সিজিও কমপ্লেক্স পেরিয়ে বিকাশ ভবনের দিকে এগোতে থাকে চিকিৎসকদের মিছিল। কোনও বিশৃঙ্খলা যাতে না ঘটে সেই জন্য সল্টলেকের চারদিকে কড়া নিরাপত্তায় এলাকা মুড়ে ফেলা হয়েছে বিধাননগর কমিশনারেটের তরফে। বাকি অভিযুক্তদের গ্রেফতারের দাবী সরব চিকিৎসকরা। হাতে পোস্টার-ব্যানার নিয়ে মিছিলে সামিল তারা।
শুধুমাত্র সিবিআইয়ের তদন্তের গতিপ্রকৃতিই নয়, আর জি করের নতুন অধ্যক্ষ সুহৃতা পালের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেও এদিন আন্দোলন করেন চিকিৎসকরা। তাদের কথায়, সুহৃতা পালকে অধ্যক্ষ করা হলেও, তাঁকে একদিনের জন্যও হাসপাতালে দেখা যায়নি। তিনি তো স্বাস্থ্য ভবনের নেতৃত্বেই কাজ করছেন, তাহলে তিনি হাসপাতালে কেন নেই, সেই নিয়ে প্রশ্ন তুলে স্বাস্থ্য ভবন অভিযান চিকিৎসকদের। পোস্টারে ‘নিখোঁজ অধ্যক্ষ’ বলে লিখে এগোচ্ছে এই মিছিল।
অন্যদিকে আবার আজ শ্যামবাজারের মোড়ে আর জি কর কাণ্ডের প্রতিবাদে ধর্নায় বসেছে বিজেপি। বেলা ১২টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত চলবে এই ধর্না। আগামীকাল, বৃহস্পতিবার বিজেপির তরফে স্বাস্থ্য ভবন ঘেরাও করার ডাক দেওয়া হয়েছে।





