প্রথম শিবসেনা। তারপর আরজেডি। বাংলা বিধানসভার লড়াইতে এবার লালুর দল। তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে জোট বাঁধার খবরও মিলছে।
তবে শুধু এই রাজ্যেই নয়, অসম বিধানসভা নির্বাচনেও প্রার্থী দিতে চায় আরজেডি বলে জানা যাচ্ছে। এই রাজ্যের ক্ষেত্রে ৮টি আসন এবং অসমের জন্য ১২টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চায়।
সূত্রের খবর, লালু প্রসাদ যাদবের দলের লক্ষ্য এখানে বিজেপির ভোট কাটা। আর তাই এই রাজ্যের তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষ দলগুলির সঙ্গে কথা বলেই সিদ্ধান্ত নিতে চাইছে আরজেডি। লালুর দলের শীর্ষ নেতারা সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলায় শুধুমাত্র বিজেপির ভোট কাটতেই তাঁরা প্রার্থী দেবে। তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে ভাল সম্পর্ক আরজেডি’র। যদি কোনও কেন্দ্রে প্রার্থী দিতে না পারে আরজেডি তাহলে সেখানের ধর্মনিরপেক্ষ প্রার্থীকে সমর্থন করবে তাঁরা। আসলে বিজেপিকে এই রাজ্যে ঠেকাতেই এই কৌশল নিয়েছে লালুপ্রসাদ যাদবের দল।
এক আরজেডি’র নেতার কথায়, ‘আমাদের প্রথম পছন্দ তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে জোট করা এবং বিজেপিকে হারানো। তারপর অসমে বিজেপিকে পরাস্ত করা।’ এদিকে আরজেডি’র প্রধান সাধারণ সম্পাদক আবদুল বারি সিদ্দিকি এবং সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক শ্যাম রজকের নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধিদল আসছেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং যুব তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি তথা ডায়মন্ডহারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করতে। ৩০ জানুয়ারি থেকে তাঁরা ২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত থাকবেন তাঁরা কলকাতায়।
বাংলা বিধানসভাতে লড়াই করার বিষয়ে আরজেডি’র সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক শ্যাম রজক বলেন, ‘আমরা বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূল কংগ্রেসের যুব নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করব। আসন বন্টন নিয়েও তাঁদের সঙ্গে কথা বলব।’ পশ্চিমবঙ্গে যে বিহারী ভোট রয়েছে তা তৃণমূল কংগ্রেসের হাতে তুলে দিতেই এই পদক্ষেপ বলে জানাচ্ছেন আরজেডি’র এক শীর্ষ নেতা। কয়েক সপ্তাহ পর বিহার বিধানসভার প্রধান বিরোধী দলনেতা তেজস্বী যাদবেরও কলকাতায় আসার সম্ভাবনা রয়েছে।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, বেশ কিছুদিন যাবৎ লালুপ্রসাদ যাদব অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। কয়েকদিন আগেই তাঁর স্বাস্থ্যের বিষয়ে উদ্বেগপ্রকাশ করেছিলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার তাঁর রাষ্ট্রীয় জনতা দল পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে প্রার্থী দিতে চায়।





