‘দেখা করতে চাইলে উত্তরবঙ্গে আসুন’, রাজ্যপালের প্রস্তাব তৃণমূলকে, রাজ্যপালের প্রস্তাবকে ‘জমিদারি সংস্কৃতি’ বলে তোপ ঘাসফুল শিবিরের

বর্তমানে রাজ্যপাল রাজভবনে নেই, যদি দেখা করতে হয়, তাহলে উত্তরবঙ্গে আসুন, তৃণমূলকে এমনটাই জানানো হয়েছিল রাজভবনের তরফে। এমন প্রস্তাবকেই ‘জমিদারি সংস্কৃতি’ বলে তোপ দাগল ঘাসফুল শিবির। রাজ্যপালের এহেন প্রস্তাবকে ‘দুর্ভাগ্যজনক’ ও ‘অবাস্তব’ বলে উল্লেখ করেছেন তৃণমূল সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েন।

কেন রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করতে চায় তৃণমূল? 

১০০ দিনের কাজ ও আবাস যোজনায় বকেয়া টাকা আদায়ের দাবী জানিয়ে দিল্লিতে কর্মসূচি পালন করেছে তৃণমূল। ২ ও ৩ অক্টোবর রাজধানীতে প্রতিবাদ আন্দোলন গড়ে তুলেছিলেন তৃণমূলের সাংসদ, বিধায়ক, মন্ত্রীরা। তবে তাদের সঙ্গে দেখা হয়নি কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রীর।

সেই কারণেই কেন্দ্রের প্রতিনিধি হিসেবে রাজ্যপালের বাসভবনের সামনে ধর্না দেয় তৃণমূল। রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করাই উদ্দেশ্য তাদের। বঞ্চনা নিয়ে যাতে রাজ্যপাল পদক্ষেপ করেন, সেই আর্জিই জানাবে তাঁকে তৃণমূল। কিন্তু আপাতত রাজ্যপাল নেই রাজভবনে। উত্তরবঙ্গে বন্যা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে গিয়েছেন রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস। রাজভবনের প্রস্তাব সেখানে তৃণমূলের প্রতিনিধি দল দেখা করতে পারে।  

দেখা করার জন্য রাজ্যপালের সময় চেয়ে চিঠি লিখেছিল তৃণমূল। এর উত্তরে রাজভবনের তরফে জানানো হয় যে এই মুহূর্তে রাজ্যপাল রাজভবনে নেই। যদি দেখা করতে হয়, তাহলে তৃণমূলের প্রতিনিধি দল উত্তরবঙ্গের সার্কিট হাউস বা ত্রাণ শিবিরে গিয়ে রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করতে পারে। রাজভবনের তরফে এমন প্রস্তাবকে ‘জমিদারি সংস্কৃতি’ বলে দাগল ঘাসফুল শিবির। তৃণমূল সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েন জানিয়েছেন যে তারা রাজ্যপালের ফেরার অপেক্ষা করবেন।

কী জানাল তৃণমূল?  

একটি চিঠিতে ডেরেক জানান, “তৃণমূলের প্রতিনিধি দলকে উত্তরবঙ্গে যাওয়ার প্রস্তাব অবাস্তব এবং দুর্ভাগ্য়জনক। এই ধরনের জমিদারি সংস্কৃতি আমরা মানি না। এর বিরুদ্ধেই আমরা লড়াই করছি”। এই চিঠিতে এও জানানো হয়েছে রাজ্যপালের কলকাতায় ফেরা পর্যন্ত তৃণমূলের প্রতিনিধি দল তাঁর সঙ্গে দেখা করার জন্য অপেক্ষা করবে। 

আরও অন্যান্য খবর