Sandeshkhali victim claimed TMC offered her 10 lakhs rupees: সন্দেশখালি নিয়ে বিতর্ক যেন শেষই হতে চাইছে না। কিছুদিন আগেই সন্দেশখালি নিয়ে একাধিক ভিডিও ভাইরাল হয়। সেই ভিডিওতে দাবী করা হয়েছে সন্দেশখালিতে নারী নির্যাতনের, ধ’র্ষ’ণের কোনও ঘটনাই ঘটে নি। সবটাই সাজানো, মিথ্যে। আর এবার সন্দেশখালির এক নির্যাতিতা দাবী করলেন সন্দেশখালির অভিযোগ তুলে নেওয়ার জন্য তাঁকে ১০ লক্ষ টাকার প্রস্তাব দিয়েছিল তৃণমূল (Sandeshkhali victim claimed TMC offered her 10 lakhs rupees)।
সন্দেশখালিতে নারী নির্যাতন, ধ’র্ষ’ণের ঘটনায় গ্রেফতার করা হয়েছে শেখ শাহজাহানের সাগরেদ শিবু হাজরা, উত্তম সর্দারদের। এবার এক নির্যাতিতা এক বেসরকারি সংবাদমাধ্যমে দাবী করলেন, শিবু, উত্তমদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ তুলে নেওয়ার জন্য তাঁকে ১০ লক্ষ টাকা দিতে চেয়েছিল তৃণমূল (Sandeshkhali victim claimed TMC offered her 10 lakhs rupees)। তবে তিনি এও জানিয়েছেন, তৃণমূল নেতাদের নির্যাতনের মুখে পড়েছিলেন তিনি ঠিকই, কিন্তু ধ’র্ষ’ণের শিকার হন নি তিনি।
ওই নির্যাতিতার কথায়, “সন্দেশখালির নির্যাতিতাদের বয়ান বদল করার জন্য ১০ লক্ষ টাকা করে দেওয়া হয়েছে। আমারেও প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু আমি রাজি হইনি। নির্যাতনের অভিযোগ তুলে নেওয়ার জন্য তৃণমূল নেতারা চাপ দিচ্ছে। কিন্তু আমি ন্যায়ের পথে থাকব। টাকা দিয়ে সবাইকে কেনা যায় না। টাকা তো কাল শেষ হয়ে যাবে” (Sandeshkhali victim claimed TMC offered her 10 lakhs rupees)।
তিনি বলেন, “তৃণমূল নেতারা রাতে বাড়ি বাড়ি গিয়ে নির্যাতিতাদের হুমকি দিচ্ছেন (Sandeshkhali victim claimed TMC offered her 10 lakhs rupees)। অভিযোগ প্রত্যাহার না করলে ফল ভালো হবে না বলে হুমকি দিচ্ছে তারা”।
নির্যাতিতা জানান, “পিঠে বানানোর জন্য আমাকেও শিবু হাজরার লোকেরা ডেকে নিয়ে গিয়েছিল। বলত ভাই খাবে। না গেলে হুমকি দিত। সারা রাত ধরে পিঠে বানিয়েছি। রাত ২টোর সময় ডেকে নিয়ে যেত। ওদের মনোরঞ্জন করতে হত। শিবু হাজরা কুইঙ্গিত করত। একবার ৫০০ লোকের পিঠে বানিয়েছিলাম। তৃণমূলের নেতারা নৌকায় করে পার্টি করতে যেত। আমাদের সঙ্গে করে নিয়ে যেত। ধামাখালি, দাউদপুরসহ বিভিন্ন জায়গায় ওদের সঙ্গে গিয়েছি” (Sandeshkhali victim claimed TMC offered her 10 lakhs rupees)।
তিনি বলেন, “বাড়ির বউকে কেউ রাত ২টোর সময় ডাকে? শিবু হাজরার বিরুদ্ধে এত লোক মিথ্যা কথা বলছে”? তিনি এও জানান, পিয়ালি দাসের বিরুদ্ধে যে ভুয়ো অভিযোগ দায়ের করানোর অভিযোগ উঠেছে, এটাই মিথ্যে। নির্যাতিতার কথায়, পুলিশের সামনে অভিযোগ দায়ের হয়েছে। তাহলে সাদা কাগজে সই করানোর কোনও প্রশ্নই ওঠে না।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি সন্দেশখালির এক ভিডিওতে এক মহিলাকে দাবী করতে শোনা গিয়েছে, পিয়ালি দাস ওরফে মাম্পি নাকি তাঁকে দিয়ে সাদা কাগজে সই করিয়ে পরে তাতে ধ’র্ষ’ণের অভিযোগ লিখে জাতীয় মহিলা কমিশনে জমা করেছেন। সেই অভিযোগে গ্রেফতার করা হয় মাম্পিকে। ৭ দিনের জেল হেফাজত হয়েছে তাঁর। এরই মধ্যে এবার এক নির্যাতিতা বিস্ফোরক দাবী করলেন তৃণমূলের বিরুদ্ধে (Sandeshkhali victim claimed TMC offered her 10 lakhs rupees)।






