বেড়েই চলেছে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব, কর্মীসভায় দেখা মিলল না শাসকদলের একাধিক নেতার, পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে চাপের মুখে দল

দিনদিন যেন আরও বেশি প্রকট হচ্ছে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব। এবার হুগলীতে তৃণমূলের এক কর্মীসভাকে কেন্দ্র করে ফের প্রকাশ্যে এল ঘাসফুল শিবিরের অন্তর্দ্বন্দ্ব। সামনেই রয়েছে পঞ্চায়েত নির্বাচন। এই কারণে প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে তৃণমূল।

এই জন্যই পাণ্ডুয়ার একটি হলে একটি কর্মীসভার আয়োজন করা হয়েছিল তৃণমূলের তরফে। কিন্তু এদিনের এই সভায় দেখা মিলল না একাধিক নেতা-কর্মীরই। শাসকদলের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ মুখকে দেখা গেল না এই কর্মীসভায় যোগ দিতে। আর এর জেরে তাল কাটল ওই কর্মী সভার।

সূত্রের খবর অনুযায়ী এদিনের এই সভায় দেখা মেলেনি ব্লক তৃণমূল সভাপতি অসিত চট্টোপাধ্যায়ের। এমনকি, অনুপস্থিত ছিলেন পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি চম্পা হাজরাও। এই অনুপস্থিতির তালিকায় ছিল শিক্ষা কর্মাধক্ষ্য সঞ্জীব ঘোষের নামও।

দলের একাংশের মতে, নানা কারণে দল আড়াআড়িভাবে বিভক্ত হয়ে গিয়েছে। এক গোষ্ঠী কর্মসূচি করলে অপর গোষ্ঠীর দেখা মেলে না। মূলত বিরোধী গোষ্ঠীর প্রতিনিধিদের একাংশকেই এদিনের মিটিংয়ে দেখা যায়নি।

এদিনের এই সভায় উপস্থিত ছিলেন শ্রীরামপুর-হুগলী সাংগঠনিক জেলা সভাপতি স্নেহাশিস চক্রবর্তী, চেয়ারপার্সন অসীম পাত্র প্রমুখ। তবে দলের অনেক গুরুত্বপূর্ণ নেতাদেরই দেখা যায়নি এদিন। এই বিষয়টি অনেকেরই নজর এড়িয়ে যায় নি।

শাসকদলের অনেকের মতেই, পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে এমন গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব যদি মাথাচাড়া দেয় তাহলে তা বিরোধীদের জন্য লাভজনক হবে। একাধিক নেতাদের অনুপস্থিতি প্রসঙ্গে শ্রীরামপুর-হুগলি সাংগঠনিক জেলা সভাপতি স্নেহাশিস চক্রবর্তী বলেন, “আমি সবাইকে কর্মীসভায় আসার আহ্বান জানিয়েছিলাম। কেন তাঁরা আসেননি খোঁজ নিচ্ছি”।

RELATED Articles