আজ রাজ্যে পঞ্চম দফার ভোট। ৬টি জেলার ৪৫ টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ রয়েছে আজ। এদিন সকাল সকালই উত্তপ্ত হয়ে উঠল বিধাননগর বিধানসভা এলাকা। জানা গিয়েছে, তৃণমূল-বিজেপির সংঘর্ষে রীতিমতো রণক্ষেত্রের আকার নেয় বিধাননগরের শান্তিনগর। দু’পক্ষের তরফেই শুরু হয় ইট, পাথর বৃষ্টি। পরিস্থিতি সামলাতে ময়দানে নামে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী।
এদিন ভোট গ্রহণের শুরুর থেকে নানান জেলায় অশান্তির খবর মেলে। আজ সকাল ১০টা নাগাদ বিধাননগরের শান্তিনগর এলাকায় বচসায় জড়ায় তৃণমূল ও বিজেপির কর্মী-সমর্থকরা। ক্রমেই তা হাতাহাতিতে গড়ায়। ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয়। ইটবৃষ্টি হয়। জানা গিয়েছে, রাস্তায় ফেলে মারধর করা হয় মহিলাদেরও। জখম হন দু’পক্ষের অনেকেই। খবর পাওয়া মাত্র ঘটনাস্থলে পৌঁছয় বিশাল পুলিশ বাহিনী ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা। লাঠিচার্জও করা হয় বলে অভিযোগ। পরিস্থিতির সামান্য উন্নতি হতেই মাইকিং করে জমায়েত হটানোর চেষ্টা করা হয়। ভোটারদের বুথে যাওয়ার ব্যবস্থা করে দেওয়ার পাশাপাশি বহিরাগতদের এলাকা থেকে বের করে দেয় পুলিশ।
আরও পড়ুন- সাধারণ মানুষকে ভোটদানে বাধা, বুথে ঢুকতে না দেওয়ার অভিযোগ, পথ অবরোধ করে প্রতিবাদ, কাঠগড়ায় তৃণমূল
তৃণমূলের অভিযোগ, বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীরা হামলা চালিয়েছে তাদের উপর। বিজেপির পালটা অভিযোগ, তৃণমূলের তরফে ২ তারিখের পর তাদের দেখে নেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়েছে, মারধরও করা হয়েছে। অশান্তির খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে যান বিধাননগরের বিজেপি প্রার্থী সব্যসাচী দত্ত ও তৃণমূল প্রার্থী সুজিত বসু। সব্যসাচীর অভিযোগ, বিধাননগর দক্ষিণ থানার এসআইয়ের নেতৃত্বে পরিকল্পনা করেই মারধর করা হয়েছে। পালটা দিয়েছেন সুজিতও। তাঁর অভিযোগ, বিজেপি প্রার্থীই ভোটারদের লাইন থেকে সরিয়ে দিচ্ছিলেন। এই কারণেই স্থানীয়রা ক্ষেপে যায়।





