Dilip Ghosh might join TMC: চব্বিশের লোকসভা নির্বাচনে তাঁকে তাঁর পরিচিত গড় থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। মেদিনীপুর থেকে সরিয়ে তাঁকে টিকিট দেওয়া হয়েছিল বর্ধমান-দুর্গাপুর লোকসভা কেন্দ্রের। তবে প্রচারে কোনও খামতি রাখেন নি তিনি। কিন্তু শেষরক্ষা হয়নি। তৃণমূল প্রার্থীর কাছে হার হয় দিলীপ ঘোষের। তাঁর হারের পর তা নিয়ে চর্চার অন্ত নেই। ‘চক্রান্ত ও কাঠিবাজি রাজনীতির অঙ্গ’ এমনটা মন্তব্য করতে শোনা গিয়েছিল দিলীপ ঘোষকে। এবার শুরু তাঁর দলবদলের জল্পনা (Dilip Ghosh might join TMC)।
ভোটে হেরে এবার কী তবে তৃণমূলে যোগ দিতে পারেন দিলীপ ঘোষ? এ নিয়ে বিস্তর চর্চা শুরু হয়েছে। এই নিয়ে শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুকে প্রশ্ন করা হলে তিনি এর কোনও সরাসরি মন্তব্য করতে রাজি হন নি। তবে তিনি যা বললেন, তাতে জল্পনা কিছুটা জিইয়েই থাকল বলা যায় (Dilip Ghosh might join TMC)।
ব্রাত্যর কথায়, “দিলীপ ঘোষ আমাদের দলে আসবেন কি আসবেন না, সেটা দিলীপ ঘোষ ও আমাদের দলের নেতৃত্বের ব্যাপার। আমার এখানে কোনও বক্তব্য নেই। আলিপুরদুয়ার, বাগদার বিধায়করা যখন দলে এসেছেন, নেতৃত্বের সঙ্গে কথা বলেই এসেছেন। এবার বিষ্ণুপুরের সাংসদ যদি আসেন, বর্ধমান-দুর্গাপুরের হেরো প্রার্থী যদি আসতে চান… আসলে আসবেন… সেটা নেতৃত্বের ব্যাপার। এটা নিয়ে আমার কিছু বলার নেই” (Dilip Ghosh might join TMC)।
পরাজয়ের পর ‘কাঠিবাজি’ ও ‘চক্রান্তের’ তত্ত্ব দিয়েছেন দিলীপ ঘোষ। সেই বিষয়ে ব্রাত্য বসুর জবাব, “তার মানে ওঁর কাঠি প্রতিরোধ করার জন্য কোনও কঞ্চি বা বাঁশ ছিল না। উনি বেকার লাঠি-গদা হাতে ঘুরে বেরিয়েছেন” (Dilip Ghosh might join TMC)।
প্রসঙ্গত, এদিকে আবার এক্স হ্যান্ডেলে দলের পুরনো কর্মীদের হয়ে সওয়াল করেছেন দিলীপ ঘোষ। প্রয়াত প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ীর বক্তব্য উদ্ধৃত করে পুরনো কর্মীদের গুরুত্ব বুঝিয়েছেন তিনি। সেই প্রসঙ্গে তিনি অবশ্য বলেন, “এই কথা আমি বলিনি। এটা অটল বিহারী বাজপেয়ীর কথা। আমাকে কেউ পাঠিয়েছিল, আমার মনে হয়েছে এটা সময়োপযোগী। যখন সঙ্কট আসে, তখন সবাইকে একসঙ্গে থাকতে হয়। যখন বিভ্রান্তি আসে, তখন গোড়ায় ফিরে যেতে হয়। অটলজি যেটা বলেছেন, সেটা যেন আমরা ভুলে না যাই। সেটাই মনে করিয়ে দিয়েছি”।





