লকডাউনের ৩.০ তে রাজ্যে অনেক ক্ষেত্রেই লকডাউনের নিয়ম শিথিল করা হয়েছে। সেক্ষেত্রে রাজ্যের গ্রীন জোনে বাস চালানোর কথাও বলা হয়েছিল। কিন্তু তারপরেও বাস মালিকরা নিজেদের বাস নামাতে নারাজ। পুরনো ভাড়ায় রাস্তায় বাস নামানো সম্ভব নয় বলে পরিবহণমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে স্পষ্ট জানিয়েছিলেন বাস ও মিনিবাস সংগঠন। তাঁদের দাবি, যদি করোনা সংক্রমন রুখতে সোশ্যাল ডিস্টানসিং মেনে মাত্র ২০ জন যাত্রীকে নিয়ে পুরনো ভাড়াতে বাস চালাতে হয় তবে তো জ্বালানিরই খরচ উঠবে না। এমনিতেই লকডাউনে ক্ষতির মুখে সমস্ত পরিবহন ব্যবস্থা। তার ওপর এই সময়ে আরও ক্ষতিগ্রস্ত হতে চান না তাঁরা।
৪৪টি বাস রুট ও ৪৮ টি মিনিবাস রুটে এখনই গাড়ি চলবে না। সোমবার থেকেই রাস্তায় বাস ও মিনিবাস নামার কথা ছিল। কিন্তু সেক্ষেত্রে বাস মালিকদের দাবি বাসের ভাড়া ন্যূনতম ২০-২৫ টাকা ভাড়া করতে হবে, এরপর প্রতি ৪ কিলোমিটারে ভাড়া বাড়বে এবং সর্বোচ্চ ৫০ টাকা অবধি ভাড়া হবে। মিনিবাসের ক্ষেত্রে ন্যূনতম ভাড়ার হবে ৩০ টাকা।
কিন্তু এই দুঃসময়ে, যেখানে গত মার্চের শেষ থেকে প্রায় ২মাসের কাছাকাছি রাজ্যবাসীর হাতে টাকা নেই, রোজগার নেই তারা কিভাবে এই ভাড়া দেবেন? প্রশ্ন উঠেছে সর্বত্র। পরিবহণমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, এই সঙ্কটের সময়ে ভাড়া কোনোভাবে বাড়ানো যাবে না।
এরপরই আজ, রবিবার বৈঠকে বসে বাস মিনিবাস অ্যাসোসিয়েশন। এদিনের বৈঠকে বাস মালিকরা দাবি করেন, প্রত্যেক বাসকর্মীর জন্য ১০ লক্ষ টাকার বিমা ও প্রচেষ্টার টাকা দিতে হবে এবং পুরনো ভাড়ায় বাস চালানো হবে না।





