মেয়েকে ধ র্ষণ করে খু ন করেছিলেন সৎ বাবা। সেই অপরাধে ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের শাস্তি দিল আদালত। দোলের দিন রঙ খেলার পর নদীতে স্নান করতে গিয়েছিল ওই পাঁচ বছরের শিশু। তারপর আর ফেরেনি সে। পরের দিন নদী থেকে উদ্ধার হয় শিশুর দেহ।
২০১৬ সালের এই ঘটনায় ওই শিশুর সৎ বাবার বিরুদ্ধে ধ র্ষণ করে খু ন করার অভিযোগ উঠেছিল। আদালতে গড়ায় সেই মামলা। দীর্ঘদিন ধরে চলছিল শুনানি। অবশেষে অভিযুক্তকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাজা শোনালেন আলিপুরদুয়ার ডিসট্রিক্ট অ্যান্ড সেশন জজ স্পেশাল পকসো কোর্টের বিচারক।
কী ঘটেছিল ঘটনাটি?
ঘটনাটি ঘটে ২০১৬ সালের ২৪ মার্চ। দোলের দিন রঙ খেলার পর স্থানীয় মুজনাই নদীতে স্নান করতে গিয়েছিল পাঁচ বছরের ওই ছোট্ট মেয়েটি। সেই নদীঘাট থেকেই নিখোঁজ হয়ে যায় সে। ফালাকাটা থানায় অভিযোগ দায়ের হয়। সেই বছর ২৯ মার্চ গ্রেফতার করা হয় সৎ বাবাকে। সাত বছর ধরে বিচার চলছিল। অবশেষে গতকাল, শনিবার দোষীকে শাস্তি দিল আদালত।
এই ঘটনায় আইনজীবী প্রশান্তনারায়ণ মজুমদার বলেন, ঘটনার দিন পুকুরে গিয়েছিল ছোট্ট মেয়েটি। সৎ বাবাও ছিল সেখানে। সকলেই চেনা মুখ। তবে রঙে মুখ ঢাকা। নদীঘাটে লোকজনের ভিড়ের ফাঁকেই হঠাৎ ছোট্ট মেয়েকে কোনওভাবে আড়ালে নিয়ে চলে যায় সৎ বাবা।
আইনজীবী জানান, পরদিন মেয়ের দেহ উদ্ধারের পর নিজের একেবারে বিশ্বস্ত মহলে নিজের কৃতকর্মের কথা স্বীকারও করে সৎ বাবা। গ্রেফতার করা হয় ওই ব্যক্তিকে। এই মামলায় ১৯ জন সাক্ষী দেন।






‘ভগবান শুধু আশা দেন, কাজ কিছুই করেন না!’ ঈশ্বরকে নিয়ে বিস্ফো’রক জাভেদ আখতার