গর্বের দিন বাঙালির! বিদেশের মাটিতে ফের মুখ উজ্জ্বল বাংলার, মহাকাশ গবেষণায় বড় আবিষ্কার বাংলার ছাত্রের

দ্বাদশ শ্রেণীর পড়ুয়া সে। এই কম বয়সেই বিদেশের মাটিতে বাংলাকে গর্বিত করল অয়ন দেওঘড়িয়া। মহাকাশ গবেষণায় বিশেষ এক আবিষ্কার করে তাক লাগাল এই পড়ুয়া। আর তাঁর এই আবিষ্কারের জেরে মার্কিন মুলুকে নাম উজ্জ্বল হল ভারতের।

এই অয়ন দেওঘড়িয়া বাঁকুড়ার ছাতনা ব্লকের মনতুমড়া গ্রামের বাসিন্দা। বেসরকারি ইংরেজি মাধ্যম স্কুলের পড়ুয়া সে। স্কুলের কারণেই বাঁকুড়া শহরের একটি বাড়িতে ভাড়া থাকতে হয় তাঁকে। ছোটো থেকেই রকেট সায়েন্সের প্রতি অগাধ আগ্রহ অয়নের। দেশের নানান প্রান্তেই নানান সময় মহাকশ গবেষণা সম্পর্কিত আয়োজিত নানান অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছে অয়ন। তাঁর নানান তত্ত্বই বারবার নজর কেড়েছে বিজ্ঞানীদের।

কয়েকমাস আগে আমেরিকার আলাবামায় ইন্টারন্যাশানাল এয়ার অ্যান্ড স্পেস প্রোগ্রামের আয়োজন করে বিখ্যাত মহাকাশ গবেষণা সংস্থা মার্কিন স্পেস অ্যান্ড রকেট সেন্টার। সেই অনুষ্ঠানে গবেষণা করার সুযোগ অয়ন। কিন্তু তাঁর পরিবারের অবস্থা তেমন স্বচ্ছল নয়। ফলে এই অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়া কিছুটা কঠিন হয়ে পড়ে তাঁর জন্য। তবে ভারতেরই এক সংস্থা পাশে দাঁড়ায় অয়নের। এর ফলে মার্কিন মুলুকের এও অনুষ্ঠানে যোগ দিতে পারে এই পড়ুয়া।

১১ নভেম্বর থেকে ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত আয়োজিত সেই অনুষ্ঠানে একমাত্র ভারতীয় হিসেবে অংশ নেয় অয়ন। আমেরিকা ও মেক্সিকোর আরও ৬ জন গবেষকের সঙ্গে হাত মিলিয়ে এক দুর্দান্ত পদার্থ তৈরির তত্ত্ব আবিষ্কার করে অয়ন। এই তত্ত্ব অনুযায়ী, বিশেষ এক ধরণের পদার্থ তৈরি সম্ভব, যা মহাকাশে প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেই টিকে থাকতে পারবে।

অয়ন ও তাঁর সঙ্গীদের এই তত্ত্ব সেই অনুষ্ঠানের গবেষকদের নজর কেড়েছে। জানা গিয়েছে, প্রাথমিকভাবে সেই তত্ত্বের প্রয়োগ করা হবে স্পেস স্টেশনে। সেই প্রয়োগ যদি সফল হয়, তাহলে পরবর্তীতে সেই পদার্থ চন্দ্র অভিযানের জন্য ব্যবহার করা হতে পারে, এমনটাই জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা।

আরও পড়ুনঃ ফের এক নস্টালজিয়া হারানোর পথে কলকাতা? প্রসিদ্ধ হলুদ ট্যাক্সি নিয়ে এবার এল এক বড় আপডেট 

ছেলের এমন সাফল্যে গর্বিত অয়নের মা-বাবা। দারুণ উচ্ছ্বসিত অয়নের পরিবারও। এই বিষয়ে অয়ন বলে, “আমি ভগবানের কাছে ধন্যবাদ জানাই। ভগবান সাহস না জোগালে এই সাফল্য় পেতাম না”।

RELATED Articles