ঘূর্ণিঝড় তাওতের তাণ্ডবে লন্ডভন্ড ভারতের একাংশ, আমফানের স্মৃতি উস্কে বাংলার পথে ‘যশ’

সম্প্রতি হয়ে যাওয়া ঘূর্ণিঝড় তাওতের তাণ্ডবে বিপর্যস্ত ভারতের একাংশ। দিল্লি সহ বেশ কিছু জায়গায় এখনও চলছে বিপুল পরিমাণ বৃষ্টি। এরই মাঝে আশঙ্কার খবর বাংলা ও উড়িষ্যার জন্য।

গতবছর ঘটে যাওয়া আমফান ঘূর্ণিঝড়ের স্মৃতি এখন‌‌ও দগদগে।

ক্ষয়ক্ষতি চিহ্ন এখন‌ও চারিদিকে স্পষ্ট। এরইমধ্যে বার গতবছরের ঘূর্ণিঝড়ের বর্ষপূর্তিতে রাজ্যে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘যশ’। এমনটাই জানাচ্ছে আবহাওয়া দপ্তর।

হাওয়া অফিস সূত্রে জানানো হয়েছে বঙ্গোপসাগরে জন্ম নিচ্ছে এক ঘূর্ণিঝড়। আগামী ২২শে মে নাগাদ উত্তর আন্দামান সাগর ও পূর্ব বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ অক্ষরেখা তৈরি হবে। যা পরবর্তীতে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে।

এই ঝড়ের অভিমুখ খাওয়ার সম্ভাবনা বাংলা। তবে, আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে বলা খবর যতক্ষণ না ঘূর্ণিঝড় পরিণত হচ্ছে, ততক্ষণ সঠিকভাবে এই ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণ ঘোষণা করা হবে না। যদিও ইতিমধ্যেই এই ঝড়ের আসার সম্ভাবনায় পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তরফে বিভিন্ন রকম ব্যাবস্থা নেওয়া। রেলের তরফেও জোরদার প্রস্তুতি শুরু হয়ে গেছে।

আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, সাগরে ঘনীভূত নিম্নচাপ অক্ষরেখা ধীরে ধীরে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হবে। এরপর ঘূর্ণিঝড় উত্তর পশ্চিম দিকে এগোবে।আগামী ২৬শে মে সন্ধ্যায় পশ্চিমবঙ্গ ও ওড়িশা উপকূলে পৌঁছবে এই ঘূর্ণিঝড়। এর ফলে  ২৫ মে সন্ধ্যে থেকেই হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি শুরু হয়ে যাবে। ঘূর্ণিঝড়ের ল্যান্ড ফলের সময় কাছাকাছি আসতেই বাড়বে বৃষ্টির পরিমাণ।

আবহাওয়া দফতর সূত্রে জানানো হচ্ছে, সাইক্লোন বা এই ঘূর্ণিঝড় একদিনে তৈরি হয় না। প্রথমে নিম্নচাপ অক্ষরেখা তৈরি হয়। এরপর নিম্নচাপ তৈরি হয়। এরপর তা পরিণত হয় গভীর নিম্নচাপে।‌ পরে অতি গভীর নিম্নচাপ তৈরি হয়। এরপর সাইক্লোনিং স্টর্ম তৈরি হয়। তারপর সিভিয়ার সাইক্লোন তৈরি হয়। এরপর ধাপে ধাপে ভেরি সিভিয়ার সাইক্লোন, এক্সট্রিমলি সিভিয়ার সাইক্লোন, সুপার সাইক্লোন তৈরি হয়। সুপার সাইক্লোন সর্বোচ্চ। ঝড়ের ঘূর্ণনের গতিবেগের উপর ভিত্তি করে এটা ধার্য করা হয়।

RELATED Articles