বছর গড়ালেই লোকসভা নির্বাচন। এখন সমস্ত রাজনৈতিক দলেই চলছে প্রস্তুতি। সভা-পাল্টা সভা, আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণও চলছে জোর গতিতেই। একে অপরকে শানাতে কোনও কসুর করছেন না রাজনৈতিক নেতারা। এমন আবহে এবার ফের একবার তৃণমূলকে বিঁধলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।
গতকাল, রবিবার কাঁথি সাংগঠনিক জেলা বিজেপির বিজয়া সম্মিলনী ছিল। সেই মঞ্চ থেকেই ফের একবার তৃণমূলকে একহাত নিলেন শুভেন্দু। আসলে ছত্তিসগড়ে এক সভায় নরেন্দ্র মোদী ঘোষণা করেছেন যে আরও বছর বিনা পয়সায় রেশন দেওয়া হবে। এই ঘোষণাকে ভোটের চমক বলেছে তৃণমূল। এই প্রসঙ্গ টেনেই শুভেন্দু বলেন, “মধ্যপ্রদেশ, ছত্তীসগঢ়ে তৃণমূলের কী? গোয়াতে গো হারান হেরেছে ওরা। ত্রিপুরায় নোটার থেকেও কম ভোট পেয়েছে। বেল পাকলে কাকের কী”?
তৃণমূল নেতাদের গ্রেফতারি নিয়ে খোঁচা শুভেন্দুর
বিরোধী দলনেতার কথায়, তৃণমূলের একাধিক নেতা-মন্ত্রীই এখন জেলের ভিতর। তিনি বলেন, “অর্ধেক লোক জেলের ভিতর চলে গিয়েছে। বাকি অর্ধেক লোক যাওয়ার জন্য অপেক্ষা করছে। বিজেপি সরকার যতক্ষণ না পশ্চিমবঙ্গে আসছে, ততক্ষণ মানুষের যন্ত্রণা লাঘব হবে না। বিচার ব্যবস্থাও চেষ্টা করছে পশ্চিমবঙ্গ থেকে দুর্নীতিকে উপড়ে ফেলার জন্য”।
এখানেই শেষ নয়, এদিন শুভেন্দু সরাসরি নাম করেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে চ্যালেঞ্জ করেছেন। তিনি বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আসুন। গুনে গুনে হারাব। দেড় লক্ষ ভোটে তমলুকে, তিন লক্ষ ভোটে কাঁথিতে”।
কী প্রতিক্রিয়া তৃণমূলের?
শুভেন্দুর এহেন মন্তব্যের প্রেক্ষিতে রামনগরের তৃণমূল বিধায়ক অখিল গিরি বলেন, “বিধানসভা ভোটে আমরা কাঁথি লোকসভা কেন্দ্রে ৩০-৩৫ হাজার ভোটে পিছিয়ে ছিলাম। কাঁথি লোকসভার জেলা পরিষদের ভোটটাকে যদি আমরা যোগ-বিয়োগ করি তাতে আমরা প্রায় ৬৫ হাজার ভোটে এগিয়ে আছি”।





