মুখ্যমন্ত্রী বেরিয়ে আসার পরই বুথে গিয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। গিয়েই মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে নানান অভিযোগ আনেন শুভেন্দু অধিকারী। এদিকে আবার, নন্দীগ্রামে ‘ছাপ্পা’ ভোট হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এমনকি, পুননির্বাচনের দাবীও জানিয়েছেন তিনি। কিন্তু সেই দাবী নাকোচ করে দিয়েছেন শুভেন্দু। তাঁর মতে, এই বছর নন্দীগ্রামে সবচেয়ে বাঁশি অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোট হয়েছে।
এদিন সকাল থেকেই বেশ উত্তেজনা ছিল নন্দীগ্রামে। এবারের নির্বাচনে হাইভোল্টেজ কেন্দ্র ছিল এটি। সোনাচূড়া, বয়াল-সহ নানান জায়গা থেকে নানান অভিযোগ উঠে এসেছে সকাল থেকেই। শাসকদলের তরফে অভিযোগ তোলা হয় যে তাদের পোলিং এজেন্টকে বুথের ভেতরে বসতে দেওয়া হয়নি। অভিযোগের তীর যায় গেরুয়া শিবিরের দিকে।
আরও পড়ুন- চণ্ডীপুরে বিজেপি কর্মীদের উপর মারাত্মক আক্রমণ তৃণমূলের, মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই বিজেপি কর্মকর্তার
সকাল থেকে বুথমুখী না হলেও, বেলা গড়াতেই দুপুর ২টো নাগাদ বুথের উদ্দেশে রওনা দেন মুখ্যমন্ত্রী। সোজা যান বয়ালে। তাঁকে দেখেই বুথে উত্তেজনা ছড়ায়। বুথের বাইরে তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষ বাঁধে। সেই সময় ভোটকেন্দ্রের ভিতরে বসেছিলেন মমতা। প্রায় দু’ঘণ্টা পর বিশাল নিরাপত্তা বাহিনী নিয়ে বুথের বাইরেদ আসেন মমতা। জানান, নন্দীগ্রামে তাঁরই জয় হবে। অশান্তির জন্য সরাসরি শুভেন্দুকে দায়ী করেন তিনি।
এরপর বয়ালের ৭ নম্বর বুথে যান শুভেন্দু অধিকারী। বলেন, “শেখ কুতুবউদ্দিনের নেতৃত্বে একটা বিশেষ সম্প্রদায়ের গুন্ডাদের উনি নিয়ে এসেছিলেন। তারা এখানকার মা-বোনেদের অত্যাচার করেছেন। এর প্রতিবাদ করতে হবে”। পুননির্বাচন নিয়ে শুভেন্দু জবাব, “কোনও বুথে রিপোল হবে না। নন্দীগ্রামে এবার ভালো ভোট হয়েছে। বেশি ভোট পড়েছে। পঞ্চায়েত ভোট এরা ভোট দিতে দেয়নি। কিন্তু এবার স্বতঃস্ফূর্ত ভোট হয়েছে”।
আরও পড়ুন- সকাল থেকে বাড়িতে বসেই নজরদারি, অবশেষে দুপুরে রেয়াপাড়ার বাড়ি থেকে বেরিয়ে ভোটকেন্দ্রের দিকে মমতা
মুখ্যমন্ত্রী বুথের মধ্যে প্রায় ২ ঘন্টা ছিলেন। যা নিয়ে সরব বিজেপি। শুভেন্দু অধিকারীর কথায়, “উনি মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে এখানে আসেননি। তাঁর গলায় পরিচয়পত্র ছিল কিনা জানি না। তবে, প্রত্যেক প্রার্থীর জন্য কমিশনের নির্দিষ্ট গাইডলাইন রয়েছে। উনি এভাবে একটা বুথের ভিতরে থাকতে পারেন না। ভোট বন্ধ করিয়েছেন, অসুবিধা করেছেন। যেখানে নন্দীগ্রামে ৯০ শতাংশ ভোট হয়েছে, এই বুথে ৭৮ শতাংশ ভোট হটেছে”।





“রাজনীতিতে তারকার খ্যাতি নয়, আদর্শ থাকা জরুরি!” “প্রত্যেককে নিরাপত্তা দেবে এমন একজনই হোক মুখ্যমন্ত্রী!” রাজনীতিতে তারকাদের ভূমিকা ও নির্বাচনে আদর্শহীন প্রার্থীদের নিয়ে অকপট লগ্নজিতা চক্রবর্তী!