ফেব্রুয়ারি মাসের মাঝামাঝি সময়েই তাপমাত্রা বাড়তে শুরু করেছে রাজ্যে। কোথাও কোথাও তো তাপমাত্রা ৩০ ডিগ্রির কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছে। তবে গতকাল, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যের বৃষ্টিতে তাপমাত্রা কিছুটা নেমেছে। ফলে বসন্তেও যেন হিমেল পরশ পেয়েছে বঙ্গবাসী। এই সপ্তাহে দক্ষিণবঙ্গের বেশ কিছু জেলা ভিজবে বৃষ্টিতে, পূর্বাভাস আলিপুর আবহাওয়া দফতরের।
আজ, শুক্রবার সকালে কলকাতায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২০.৬ ডিগ্রি। গতকাল, বৃহস্পতিবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৮.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বাতাসে জলীয় বাষ্পের সর্বোচ্চ পরিমাণ ৭০ থেকে ৯৩ শতাংশ। এদিন আকাশ মাঝারি মেঘাচ্ছন্নই থাকবে।
কেন হঠাৎ এই বৃষ্টির আগমন?
হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, ছত্তিশগড়ের ওপর একটি ঘূর্ণাবর্ত রয়েছে। আগামীকাল, শনিবার উত্তর-পশ্চিম ভারতে ঢুকবে পশ্চিমী ঝঞ্ঝা। এদিন আবার আরও একটি পশ্চিমী ঝঞ্ঝা ঢোকার সম্ভাবনা রয়েছে যার অভিমুখ হবে উত্তর-পূর্ব দিকে। এই দুইয়ের প্রভাবেই বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টি হতে পারে দক্ষিণবঙ্গের উপকূলের জেলাগুলিতে।
কোথায় কোথায় হবে বৃষ্টি?
আবহাওয়া দফতর জানাচ্ছে, আজ, শুক্রবার পূর্ব মেদিনীপুর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনাতে বৃষ্টির সম্ভাবনা বেশি। আগামীকাল, শনিবার কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের উপকূল ও উপকূল সংলগ্ন জেলাগুলিতে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব পশ্চিম মেদিনীপুর এবং ঝাড়গ্রামে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।
পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, পুরুলিয়া ও ঝাড়গ্রামে রবিবার বৃষ্টির সম্ভাবনা বেশি। শুধু এই সপ্তাহই নয়, আগামী সপ্তাহের সোমবার পুরুলিয়া, বীরভূম ও পশ্চিম বর্ধমান জেলায় বেশি বৃষ্টি হতে পারে। তবে এই বৃষ্টিতে তাপমাত্রায় হেরফের হবে না তেমন। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেশি থাকায় আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি থাকবে। আগামী চার, পাঁচদিন এরকমই আবহাওয়া থাকবে বলে জানাল হাওয়া অফিস।
আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস, উত্তরবঙ্গের শুধুমাত্র দার্জিলিংয়েই বৃষ্টি হবে। রবিবার পর্যন্ত বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হতে পারে। আজ, শুক্রবার বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টির সতর্কতা রয়েছে দার্জিলিং ও কালিম্পংয়ে। আবার আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি ও কোচবিহারের নানান জায়গায় হালকা মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা। শনি ও রবিবার দার্জিলিং ও কালিম্পং এর কিছু এলাকায় দু-এক পশলা হালকা বৃষ্টি হতে পারে।





