পৌষ মাস পড়ার পর থেকেই বঙ্গ থেকে উধাও হয়েছিল শীত। এর জেরে কম্বল বা সোয়েটার আলমারিতে ফের তুলে রাখার বন্দোবস্তও করে ফেলেছিল বঙ্গবাসী। এর জেরে শীতবিলাসীরা বেশ দুঃখ পেয়েছেন। কিন্তু পৌষ সংক্রান্তিতে কী শীতবিলাসীদের আক্ষেপ কমবে?
কী জানাচ্ছে আবহাওয়া দফতর?
আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস, এই মুহূর্তে উত্তরপ্রদেশ ও লাক্ষাদ্বীপে দুটি ঘূর্ণাবর্ত রয়েছে। একটি অক্ষরেখা রয়েছে লাক্ষাদ্বীপের ঘূর্ণাবর্ত থেকে মধ্য ভারতের বিদর্ভ পর্যন্ত। আবার অন্য একটি অক্ষরেখা রয়েছে গুজরাট থেকে উত্তরপ্রদেশের ঘূর্ণাবর্ত পর্যন্ত। আবার অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলের দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর থেকে একেবারে শ্রীলঙ্কা পর্যন্তও রয়েছে অন্য একটি অক্ষরেখা। উত্তর-পশ্চিম ভারতে পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাবও রয়েছে বলে খবর। আর এর জেরে উত্তর-পশ্চিম ভারতের পার্বত্য ও সমতলে আবহাওয়ার পরিবর্তন ঘটবে বলে জানাচ্ছে হাওয়া অফিস।
হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস, সপ্তাহের শেষের দিকে দক্ষিণবঙ্গে আবহাওয়ার পরিবর্তন ঘটবে। ৪-৫ দিনের শীতের স্পেল থাকবে এবার। পূবালী হাওয়ার জেরে রাজ্যে জলীয় বাষ্প ঢুকছে। এর জেরে আকাশ আংশিক মেঘলা ও কুয়াশাও রয়েছে। তবে সপ্তাহান্তে কমবে তাপমাত্রা।
অন্যদিকে উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতেও সপ্তাহের শেষের দিকে তাপমাত্রা পতনের ইঙ্গিত দিল হাওয়া অফিস। হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা থাকবে। দার্জিলিং, কালিম্পং, কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার, উত্তর দিনাজপুর ঢেকে যেতে পারে কুয়াশার চাদরে।
আজ, সোমবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৭.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস যা স্বাভাবিকের থেকে ৩ ডিগ্রি বেশি। সর্বোচ্চ তাপমাত্রাও ছিল ১ ডিগ্রি বেশি। আগামী ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনাই নেই রাজ্যে। জেলার কিছু জায়গায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা কলকাতার থেকে একটু কম ছিল। তবে তাও স্বাভাবিকের থেকে তা বেশিই ছিল।
দেশের অন্যান্য প্রান্তে কেমন আবহাওয়া?
মৌসম ভবন জানাচ্ছে, পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাবে রাজস্থান সহ-সংলগ্ন এলাকায় শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। উত্তর-পশ্চিম ভারতের পার্বত্য ও সমতল এলাকায় আগামী দু-তিন দিনে হালকা বৃষ্টি হতে পারে। ঘন থেকে অতি ঘন কুয়াশার সতর্কতা রয়েছে পাঞ্জাব, হরিয়ানা, চণ্ডীগড়, বিহার, ওড়িশা, ঝাড়খণ্ড, উত্তরপ্রদেশ ও মধ্যপ্রদেশে।





