Mahua Moitra created controversy: মহুয়া মৈত্র আর বিতর্ক, এরা যেন ওতপ্রোতভাবে জড়িত। বিতর্ক মহুয়ার পিছু ছাড়ে না, নাকি মহুয়াই বিতর্ক থেকে পিছু ছাড়াতে চান না, তা বোঝা বেশ মুশকিল। এর আগে ‘দু পয়সার সাংবাদিক’ বলে রাজ্যজুড়ে সাড়া ফেলেছিলেন তিনি। আর এবার বাচ্চাদের উদ্দেশে কুরুচিকর মন্তব্য করতে শোনা গেল তাঁকে (Mahua Moitra created controversy)।
এবারের লোকসভা নির্বাচনেও কৃষ্ণনগর থেকে মহুয়া মৈত্রকে প্রার্থী করেছে তৃণমূল। প্রার্থী হওয়ার পর থেকেই নিজের নানান মন্তব্যের কারণে চর্চার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন মহুয়া। আর তাঁকে কিছুমাস আগেই যা বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে, তা কেউ ভোলে নি এখনও। ঘুষ নিয়ে সংসদে প্রশ্ন করার অভিযোগে সাংসদ পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল মহুয়াকে। এবার মহুয়ার এক ভিডিও ভাইরাল হল, যা নিয়ে শুরু তুমুল বিতর্ক (Mahua Moitra created controversy) (এই ভিডিওর সত্যতা যাচাই করে নি খবর ২৪x৭)।
ভাইরাল হওয়া সেই ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, মঞ্চে উঠে মাইকে কথা বলছেন মহুয়া মৈত্র। ভিড় নিয়ন্ত্রণের সময় তাঁকে বলতে শোনা যায়, “এই লাওয়ারিশ বাচ্চাগুলো এখানে কেন এসেছে। বারবার বলছি এদের সরাও। বাইরে রাখো এদের” (Mahua Moitra created controversy)। নদিয়ার কালীগঞ্জে মহুয়া মৈত্রের সমর্থনে সভা করেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর সভার আগে মঞ্চে ভিড় নিয়ন্ত্রণের সময় এই মন্তব্য করতে শোনা যায় মহুয়াকে।
বাচ্চাদের জন্য মহুয়ার এই ‘লাওয়ারিশ’ শব্দ কতটা যুক্তিযুক্ত, তা নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন (Mahua Moitra created controversy)। এই বিষয়ে বিজেপি নেতা রাহুল সিনহা বলেন, “আমি অবাক হইনি। যিনি দেশের খবর বিক্রি করে বিদেশ থেকে পয়সা উপায় করেন এরকম দেশদ্রোহী যিনি হবেন তিনি দেশের বাচ্চাদের লাওয়ারিশ বলে উল্লেখ করবেন এটাই স্বাভাবিক। যে যেরকম তার মুখ দিয়ে সেরকম ভাষা বের হচ্ছে”।
অন্যদিকে মহুয়ার এই মন্তব্যের প্রেক্ষিতে সিপিএম নেতাদের সুজন চক্রবর্তী বলেন, “রাজনীতিতে একটা শিষ্টাচার থাকা দরকার। নীতি, নৈতিকতা মূল্যবোধের কোনও ব্যাপার নেই। আর তৃণমূল নেতা শান্তনু সেন বলেন, কোন পরিপ্রেক্ষিতে এই কথা তিনি বলেছেন সেটা জানা দরকার। তবে মানুষের শব্দচয়নের আগে আরও একটু সচেতন হওয়া দরকার” (Mahua Moitra created controversy)।
এর আগেও মহুয়ার একটি অডিও ক্লিপ ভাইরাল হয়েছিল যাতে তাঁকে বিতর্কিত মন্তব্য করতে শোনা যায় (Mahua Moitra created controversy)। মহুয়া বলেছিলেন, “যে করেই হোক বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটটা এবার করতে হবে। এবার কিন্তু যেখানে মধু দিয়ে, যেখানে নিমপাতা দিয়ে ভোটটা করতে হবে। সিম্পল কথা। প্রশাসনিক ব্যাকআপ হান্ড্রেড পার্সেন্ট আপনারা পাবেন। এই কথা আমি দিয়ে দিচ্ছি”।





