মুর্শিদাবাদের জলঙ্গির নির্দল প্রার্থীর অশ্লীল ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল। এই নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে শুর হয়েছে তরজা। এই ঘটনায় অভিযোগ উঠেছে এক তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে। অভিযোগ দায়ের করার কয়েকঘণ্টার মধ্যেই গ্রেফতার করা হয় ওই তৃণমূল নেতাকে।
জলঙ্গি বিধানসভা কেন্দ্রে নির্দল প্রার্থী হলেন সৈয়দ রাফিকা সুলতানা। এর আগে তিনি তৃণমূল জেলা পরিষদের সদস্য ছিলেন। কিন্তু ভোটে টিকিট না পাওয়ায় দলে ছেড়ে নির্দল প্রার্থী হয়েছেন তিনি। সম্প্রতি, তাঁর আপত্তিকর একটি ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়। এই নিয়ে শুরু হয় বিতর্ক।
আরও পড়ুন- বিজেপি বিধায়ককে নগ্ন করে কালি ছিটিয়ে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ উঠল কৃষিবিল প্রতিবাদী কৃষকদের বিরুদ্ধে
এই কারণে, গতকাল শনিবার একটি সাংবাদিক বৈঠক করেন ওই নির্দল প্রার্থী। এই ঘটনায় তিনি কাঠগড়ায় তুলেছেন তৃণমূল নেতা মোজাম্মেল শেখকে। তিনি বলেন, “তৃণমূল জলঙ্গিতে প্রার্থী করেছে সিপিএম ছেড়ে আসা আবদুর রাজ্জাক মণ্ডলকে। কিন্তু দলের অনেকেই তাঁকে মেনে নিতে পারছেন না। তাঁরাই আমাকে নির্দল প্রার্থী করেছেন। এরপর থেকেই সোশ্যাল মিডিয়ায় আমাকে কুকথা বলা শুরু হয়। আমি পাত্তা দিইনি। কিন্তু খয়রামারী গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্য মোজাম্মেল শেখ যা করেছেন, তা সহ্যের সীমা অতিক্রম করেছে। আমাকে সমাজের সামনে প্রতিপন্ন করার জন্য আমার মুখের ছবি একজন নগ্ন মহিলার ছবির সঙ্গে জুড়ে তা সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দিয়েছে”।
আরও পড়ুন- প্রার্থী না হয়েও বিজেপির হয়ে মাঠে নেমেছেন মিঠুন চক্রবর্তী, ‘খেলা’ ঘোরাতে উদ্যত মহাগুরু
এই বিষয়ে পুলিশে অভিযোগ করেন ওই মহিলা। জানা গিয়েছে, অভিযোগের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই পুলিশ মোজাম্মেল শেখকে গ্রেপ্তার করেছে। এবিষয়ে জলঙ্গির তৃণমূলের প্রার্থী আবদুর রাজ্জাক মণ্ডল বলেন, “মোজাম্মেল যেটা করেছে তা অন্যায়। ওই ঘটনা জানার পর ওর নিজের মেয়ে তাকে বাবা বলে ডাকবে কিনা আমার সন্দেহ হচ্ছে।” তিনি আরও বলেন, “রাফিকার গণতন্ত্রিক অধিকার রয়েছে ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার। তাঁর সঙ্গে ভোটের ময়দানে লড়াই হবে। তাই বলে একজন মহিলাকে এভাবে হেনস্থা করার পক্ষপাতি নই আমি। আমাদের প্রত্যেকের ঘরেই মা, বোন, মেয়ে রয়েছে”।





