এক বিজেপি বিধায়ককে নগ্ন করে তাঁকে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ উঠল এলদল কৃষিবিল প্রতিবাদী কৃষকদের বিরুদ্ধে। গতকাল, শনিবার পঞ্জাবের মুক্তসার জেলায় এলতি সানহবাদিক সম্মেলনে যাওয়ার সময় হামলা করা হয় ওই বিজেপি বিধায়কের উপর।
আক্রান্ত ওই বিজেপি বিধায়কের নাম অরুণ নারাং। তিনি পঞ্জাবের অবোহরের বিধায়ক। গতকাল শনিবার মলাউট-এ ৩টে ৪০ নাগাদ যান তিনি। অভিযোগ, সেই সময় তাঁকে ঘিরে ধরেন কৃষি সংগঠনের কর্মীরা। পরিস্থিতি খারাপের দিকে যাচ্ছে বুঝতে পেরে বিধায়ককে স্থানীয় একটি দোকানে ঢুকিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন পুলিশকর্মীরা। কিন্তু ততক্ষণে তাঁকে ঘিরে ধরেছে গোটা শয়েক বিক্ষোভকারী।
আরও পড়ুন- প্রার্থী না হয়েও বিজেপির হয়ে মাঠে নেমেছেন মিঠুন চক্রবর্তী, ‘খেলা’ ঘোরাতে উদ্যত মহাগুরু
সূত্রের খবর অনুযায়ী, প্রত্যক্ষদর্শীরা বিধায়ককে সরিয়ে নিয়ে চেষ্টা করলে উত্তেজনা আরও বাড়ে। বিধায়কের গায়ে প্রথমে কালি ছিটিয়ে দেন বিক্ষোভকারীরা। এরপর বিধায়ককে টানা-হেঁচড়া করা শুরু হয়। এর জেরে ছিঁড়ে যায় তাঁর পোশাক। পুলিশ বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলেও তাদের সঙ্গে ধ্বস্তাধস্তি হয় পুলিশের। এরপর বেধড়ক মারধর চলে বিধায়কের উপর।
এই বিষয়ে ওই বিধায়ক বলেন, “বিক্ষোভকারীদের কাউকেই আমি চিনি না। ওরা হঠাৎই বিনা প্ররোচনায় আমার উপর চড়াও হয়। আমার জামা-কাপড় ছিঁড়ে দেয়, মারধর শুরু করে। পুলিশকর্মীরা আমার প্রাণ বাঁচাতে একটি দোকানে কোনওমতে ঢুকিয়ে দেন। তখন পুলিশকর্মীদের সঙ্গেও ধাক্কাধাক্কি শুরু করে দেয় ওরা”। দলের উচ্চস্তরে বিষয়টি জানাবেন বলে জানান তিনি।
এ বিষয়ে পাঞ্জাবের বিজেপির রাজ্য সভাপতি অশ্বানী শর্মা বলেন, “রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি তলানিতে ঠেকেছে। একজন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিকে মারধরের ঘটনাই তার প্রমাণ”। এ বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রী অমরিন্দর সিংয়ের হস্তক্ষেপ দাবি করেন তিনি। বলেন, “হয় উনি অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করুন, নয় তো ইস্তফা দিক”। রাজ্যে রাষ্ট্রপতি শাসনের সওয়ালও করেন তিনি। অন্যদিকে বিকেইউ একতা সিধুপুর, বিকেইউ লাখওয়াল, বিকেইউ কাদিয়ান এদিনের ঘটনার দায় এড়িয়ে গিয়েছে।
আরও পড়ুন- প্রচারে বেরিয়ে বিপত্তি! লকেটের চোখ রং ছোঁড়ার অভিযোগ, সন্দেহের তীর তৃণমূলের দিকে
এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী অমরিন্দর সিং। তাঁর কথায়, “কেউ বা কারা যদি রাজ্যের শান্তি ভঙ্গ করার চেষ্টা করে, তাহলে কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হবে”।





