তৃণমূলের প্রার্থী তালিকা সামনে আসার পর একের পর এক ক্ষোভের কথা সামনে এসেছে। এমন অনেকেই রয়েছেন যাদের নাম তালিকায় নেই কিন্তু তাদের কথা অনুযায়ী, সেই নাম থাকা উচিত ছিল। এরই মধ্যে গতকাল, সোমবার সকাল থেকেই হইচই পড়ে যায় একটি খবরে যে তৃণমূলের তারকা নেত্রী সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায় ইস্তফা দিয়েছেন। লোকসভা নির্বাচনে নাম না থাকায় সেই অভিমান থেকেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি, এমন জল্পনাও ছড়ায়। এরই মধ্যে সায়ন্তিকার বিজেপিতে যোগ দেওয়ার জল্পনাও শুরু হয়েছে। এই কী বললেন সায়ন্তিকা নিজে?
গতকাল থেকেই সায়ন্তিকার ইস্তফাপত্র ঘোরাফেরা করছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। এবার নিজের ইস্তফা দেওয়ার প্রসঙ্গে সায়ন্তিকা বললেন, “এমন কোনও ব্যাপার না। আমি কোনও ইস্তফা দিইনি। আমার যদি ইস্তফা দেওয়া হয়, তাহলে দলের কাছেই দেব। যে চিঠিটা ছড়িয়েছে, সেটা একেবারেই ভিত্তিহীন। চিঠিতে আমার কোনও সই নেই, স্ট্যাম্প নেই। সেটা কী হতে পারে! এটা একটা ভুয়ো প্রচার”।
তাঁর কথায়, “টিকিট না পেয়ে মনখারাপ হয়েছে। এতদিন কাজ করেছি। কিন্তু আমি ইস্তফা দিচ্ছি না। ভুয়ো একটা প্রচার হয়েছে। আমি কোথাও যাচ্ছি না। দলেই থাকছি। প্রচারে যাব। যদি কিছু হয় দলকে বলব। হয়তো আমার নেতৃত্ব ভবিষ্যতে আমার কথা মাথায় রাখবেন। একটা আশা তো আমিও করেছিলাম”।
বিজেপিতে কী যোগ দিচ্ছেন তিনি?
সায়ন্তিকার এই ক্ষোভের কথার পরই উঠে আসে গতার বিজেপিতে যোগ দেওয়ার জল্পনা। সেই বিষয়ে সায়ন্তিকার জবাব, “বিজেপি আমার সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল। কিন্তু আমার থেকে কোনও উত্তর পায়নি। আর আগামীতেও পাবে না। আমার ক্ষোভের কথা আমি দলকে বলব। বিজেপিতে যাচ্ছি না”।
কী প্রতিক্রিয়া বিজেপির?
এই প্রসঙ্গে বিজেপির মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য বলেন, “মানুষই তো ক্ষোভে-অভিমানে তৃণমূলের থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে। এবার তৃণমূলের অন্দরে কে তৃণমূলের থেকে মুখ ফেরাচ্ছে, সেটা নিয়ে কোনও আগ্রহ নেই। এই মুহূর্তে তৃণমূল অপ্রাসঙ্গিক। এই নির্বাচনের তৃণমূলের কোনও প্রাসঙ্গিকতা নেই। নরেন্দ্র মোদীই ফের প্রধানমন্ত্রী হবেন। এই নির্বাচনে আমাদের আসন বাড়ানোর লড়াই, হারা জেতার কোনও লড়াই নেই”।






