করোনা-আমফানে বিপর্যস্ত, বিধ্বস্ত বাংলা। হাজার হাজার মানুষ এখন ভিটেমাটি হীন। ঘূর্ণিঝড়ের জেরে
পশ্চিমবঙ্গে বহু এলাকায় ১০০ ঘণ্টার কাছাকাছি বিদ্যুৎ যোগাযোগ ছিল না। এমন পরিস্থিতিতে কলকাতার প্রশাসক ফিরহাদ হাকিমের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে তোপ দাগেন তৃণমূলের ক্রেতা সুরক্ষামন্ত্রী সাধন পাণ্ডে। চড়তে থাকে বঙ্গ রাজনীতির পারদ। এবার কিছুটা ঘি ঢাললেন পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল।
এদিন ঘূর্ণিঝড় পরবর্তী বাংলার পরিস্থিতি নিয়ে নিজের টুইটার হ্যান্ডেল থেকে তীব্রভাবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারকে নিশানা করেন জগদীপ ধনকর। তিনি লেখেন, ‘বরিষ্ট মন্ত্রীরা যখন তাঁদের মতদ্বন্ধ জনসমক্ষে নিয়ে আসেন বা বিধায়ক জনরোষের শিকার হন, তখন বাস্তবচিত্রটা বড্ড বেশি প্রকট হয়ে পড়ে। ‘
এদিনও আম্ফান পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে রাজ্যের বিভিন্ন অংশ যেভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ছে, সেই সম্পর্কে মমতা সরকারকে খোঁচা দিতে ছাড়েননি রাজ্যপাল। তিনি নিজের টুইটে লেখেন, ‘গ্রামীন এলাকার অবস্থা এখনো খুবই ভয়াবহ, সেইদিকে বিশেষ দৃষ্টি দেওয়া প্রয়োজন। ওই এলাকাগুলিকে উপেক্ষা করা যায়না ‘।
https://twitter.com/jdhankhar1/status/1265505964578541574?s=20
এদিকে, রাজ্যপাল এই দিনও রাজ্যের দুই মন্ত্রীর তরজা ও আমফানের ত্রাণ নিয়ে বাংলার অন্দরে কী চলছে, সেই ঘটনার সম্পূর্ণ তথ্য চেয়েছেন। আর সেই মর্মে তিনি একটি টুইটও করেন। তিনি লেখেন, ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে অনুরোধ, সাংবিধানিক রীতি মেনে আমাকে এখনকার বাস্তব পরিস্থিতি সম্পর্কে অবগত করান।’
https://twitter.com/jdhankhar1/status/1265506479844532224?s=20
এর আগে ত্রাণ ও শহরের উত্তেজনার পরিস্থিতি নিয়ে ফিরহাদ হাকিমকে তোপ দাগেন তৃণমূলেরই মন্ত্রী সাধন পাণ্ডে। তিনি বলেন, ‘এটা মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব নয়, এটা প্রশাসকের দায়িত্ব।’ আমফান পরবর্তী পরিস্থিতি সামলাতে পারেনি পুরসভা। এমনই গুরুতর অভিযোগ করেছেন দলেরই বিধায়ক সাধন পাণ্ডে। তিনি অভিযোগ করেছেন আমফান পরিস্থিতি সামলানোর জন্য আরও প্রস্তুতির প্রয়োজন ছিল। তার জন্য কারোর সঙ্গে কোনও আলোচনা করেনি প্রশাসক ফিরহাদ হাকিম।
সাধন পান্ডের দাবি, পরিস্থিতি মোকাবিলায় সমস্ত বিধায়কদের সঙ্গে ফিরহাদ হাকিমের আলোচনা করা উচিত ছিল যার জবাবে ফিরহাদ হাকিম বলেন, সাধন পাণ্ডে নিজে কেনও আসেননি তাঁর সঙ্গে আলোচনা করতে? আর এই নিয়েই জবাব,পাল্টা জবাবে ক্রমেই তৃণমূলের অন্দরমহলের ক্ষতবিক্ষত ছবি প্রকাশ্যে আসতে শুরু করেছে।





