‘মে’রে দাও কিন্তু তবুও ওদেশে ফি’রব না’, অত্যা*চারের জেরে কাঁ’টাতার পেরিয়ে অ’বৈধভাবে ভারতে ঢুকলেন দুই বাংলাদেশি বৃদ্ধা

বাংলাদেশের পরিস্থিতি দিনদিন আরও খা*রাপ হচ্ছে। হিন্দুদের উপর বেড়েই চলেছে অত্যা’চার। তাদের নিরা’পত্তার জন্য ভারতের তরফে বারবার ক’ড়া বিবৃতি দেওয়া হলেও বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী ইউনুস সরকারের কোনও হেলদোল নেই। এমন অবস্থায় নিজেদের প্রাণ বাঁ’চাতে কাঁ’টাতার পেরিয়ে অ’বৈধভাবে ভারতে ঢুকলেন দুই বৃদ্ধা। বিএসএফের হাতে ধ’রা পড়ে যান দু’জনেই।

এই দুই বৃদ্ধা হলেন আদো বর্মণ, বয়স ৮০ ও অন্যজন হলেন কাঞ্চ বালা বয়স ৭২। এদের মধ্যে আদোর বাড়ি বাংলাদেশের ঠাকুরগাঁও জেলায় ও কাঞ্চর বাড়ি বাংলাদেশের দিনাজপুর জেলায়। বাংলাদেশের তাদের উপর যে নির্মম অত্যাচার চলছে, তার হাত থেকে বাঁচতে অবৈধভাবে ভারতে ঢোকেন তারা। উত্তর দিনাজপুরের কালিয়াগঞ্জের রাধিকাপুরের পুরগ্রাম ও চাঁদগাঁও- এই দুই সীমান্ত এলাকায় ভারতের ভূখণ্ডে দুই বৃদ্ধাকে ঘোরাফেরা করতে দেখে তাদের আটক করে বিএসএফ।

দুই বৃদ্ধাকে নিয়ে যাওয়া হয় কালিয়াগঞ্জ থানায়। গত বৃহস্পতিবার তাদের রায়গঞ্জ থানায় পেশ করা হয়। বিচারক তাদের ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেন। ইউ দুই বৃদ্ধা অবশ্য তা নিয়ে কিছু ভাবছেন না। তাদের কথায়, তাদের গুলি করে মেরে ফেলুক এখানে কিন্তু তবুও তারা বাংলাদেশে ফিরতে চান না।

এই আদো বর্মণের ছেলে সুরেন্দ্র বর্মণ ভারতের নাগরিক। তিনি জানান, “আমার মা ইসকনের ভক্ত। বাংলাদেশে ৭ দিনের মধ্যে সংখ্যালঘুদের দেশ ছাড়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হচ্ছে। চোখের সামনে সংখ্যালঘুরের অত্যাচার হতে দেখছে আমার বৃদ্ধা মা। যে কারণে প্রাণ বাঁচাতে এদেশে চলে এসেছেন। তিনি বলছেন, দরকারে আমাকে গুলি করে মেরে দাও, কিন্তু আমি বাংলাদেশে ফিরব না। এই অত্যাচার দেখার চেয়ে গুলি খাওয়া ভাল। এইসব বলে চলেছেন আমার মা”। তাঁর কথায়, “আমার মা হয়তো বেশিদিন বাঁচবেন না। আমিও চাই, বাকি জীবনটা মা আমার কাছে থাকুন”।

আরও পড়ুনঃ ‘কা’টমানির টাকায় গরীবদের কম্বল দিচ্ছি…’ আরাবুলকে নিশানা করতে গিয়েই বে’ফাঁস শওকত, স্বীকার করলেন কা’টমানির কথা! 

অন্যদিকে কাঞ্চ বালা বলছেন, “বাড়ি ঘর সব ভেঙে দিয়েছে। থাকার জায়গা নেই। প্রাণ ভয়ে কাঁটাতার পেরিয়ে এসেছি”। তবে শুধুমাত্র এই দুই বৃদ্ধাই নয়, বাংলাদেশ থেকে সীমান্ত পেরিয়ে আরও অনেক অনুপ্রবেশ ঘটতে পারে বলে মনে করছেন পুলিশ ও সীমান্তরক্ষা বাহিনী। ফলে এই নিয়ে বিশেষ সতর্কতা ও আঁটসাঁট নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

RELATED Articles