আর জি করের তরুণী চিকিৎসকের ধর্ষণ-খুন মামলায় আর জি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ ও টালা থানার প্রাক্তন ওসি অভিজিৎ মণ্ডলকে গ্রেফতারের ৯০ দিন পরও চার্জশিট জমা করতে পারে নি সিবিআই। ফলত গতকাল, শুক্রবার জামিন পেয়ে যায় দুই অভিযুক্তই। এবার সেই জামিনের বিরোধিতা করে রাজপথে বিরোধীরা।
সন্দীপ-অভিজিতের জামিনের ঘটনায় সিবিআইকেই দায়ী করেছেন নির্যাতিতার মা-বাবা সহ জুনিয়র চিকিৎসকরাও। তারাও বড় কোনও আন্দোলনের ডাক দিয়েছেব। এরই মধ্যে এই জামিনের বিরোধিতা করে সোচ্চার হল বিরোধী দলগুলি। আজ, শনিবার সকালেই বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেছে এসইউসিআই, কংগ্রেস, এসএফআই। সিবিআইয়ের উপর ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছে সকলে।
একদিকে কলেজ স্ট্রীটে বিক্ষোভ দেখাচ্ছে বাম ছাত্র সংগঠন এসএফআই। অন্যদিকে আবার নিজাম প্যালেসে বিক্ষোভ দেখাচ্ছে কংগ্রেস নেতারা। তাদের এই বিক্ষোভ কর্মসূচিতে বাধা দেয় পুলিশ। পুলিশের ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা করেন বিক্ষোভকারীরা। পুলিশের সঙ্গে ধ্বস্তাধস্তিতে জড়ান তারা।
এদিন বাধা পেয়ে রাস্তাতে বসেই বিক্ষোভ দকেহাতে থাকেন বিক্ষোভকারীরা। তথ্যপ্রমাণ লোপাটের অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও কীভাবে সন্দীপ ঘোষ ও অভিজিৎ মণ্ডল জামিন পেয়ে গেলেন, তা নিয়ে তোলেন প্রশ্ন। তাদের মুখে একটাই স্লোগান- “তিলোত্তমা ভেবো না, সেটিং হতে দেব না”। অন্যদিকে আবার আজ, শনিবার দুপুর ৩টের সময় রানি রাসমণি অ্যাভিনিউতে জমায়েতের ডাক দিয়েছে অভয়া মঞ্চের সদস্যরা।
আরও পড়ুনঃ কলকাতার ইসকনের ওয়েবসাইটে দেখা গেল ইস’লামি স্লোগান, ভেসে উঠল ‘আল মশাল’-এর নাম
উল্লেখ্য, আর জি করের তরুণী চিকিৎসকের ধর্ষণ-খুনের মামলা এখনও বিচারাধীন। চারমাসের বেশি সময় কেটে গেলেও এখনও মেলেনি সুবিচার। গত ১৫ সেপ্টেম্বর আর জি করের ধর্ষণ-খুন মামলায় তথ্যপ্রমাণ লোপাটের অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছিল সন্দীপ ঘোষ ও অভিজিৎ মণ্ডলকে। কিন্তু সিবিআই চার্জশিট না পেশ করতে পারায় জামিন পেয়ে যান দু’জনেই। সেই ঘটনাতেই গর্জে উঠেছে বিরোধী দলগুলি।





