ক্ষতিকর মশলা, পচা মাংস দিয়ে তৈরি অস্বাস্থ্যকর বিরিয়ানি, বিকোচ্ছে দেদার, দোকান বন্ধ করল প্রশাসন

Unhygienic Biryani Shops closed: বাড়িতে ছোটখাটো অনুষ্ঠান হলেই অনেকেই দোকান থেকে বিরিয়ানি (Biriyani) অর্ডার করেন। এমনকি কোনওদিন পরিবার বা পরিজনকে নিয়ে বাইরে ডিনার করতে গেলেও বিরিয়ানি থাকে সবার প্রথমে। কিন্তু, বিভিন্ন দোকানে যেভাবে বিরিয়ানি তৈরি হচ্ছে, তাতে ক্ষতিকর মশলার ব্যবহার এবং পচা মাংসের অভিযোগ উঠছে (Unhygienic Biryani Shops closed)। এই কারণে কোচবিহারের স্বাস্থ্য দফতর ও পুর প্রতিনিধি দল কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

অভিযোগ পাওয়া গেছে যে, দিনহাটা শহরের বিভিন্ন বিরিয়ানির দোকানে দীর্ঘদিন ধরে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে রান্না করা হচ্ছে। ব্যবহার করা হচ্ছে ক্ষতিকর মশলা এবং পচা মাংস। এই অভিযোগের ভিত্তিতে দিনহাটা শহরের বিভিন্ন বিরিয়ানি (Biriyani) দোকানে অভিযান চালায় স্বাস্থ্য দফতর ও পুরসভার প্রতিনিধিরা (Unhygienic Biryani Shops closed)। এই অভিযানে নেতৃত্ব দেন দিনহাটা পুরসভার চেয়ারম্যান গৌরিশঙ্কর মাহেশ্বরী এবং দিনহাটা মহকুমা হাসপাতালের সুপার ডঃ রণজিৎ মণ্ডল।

সোমবার দুপুরে দিনহাটা শহরের বেশ কয়েকটি বিরিয়ানি (Biriyani) দোকান ও কারখানায় অভিযান চালানো হয়। এক দোকানে পচা মাংস পাওয়ায় তা ফেলে দেওয়া হয় এবং একাধিক দোকান বন্ধ করে দেওয়া হয়। কোচবিহারের দিনহাটার একটি দোকানে দেখা যায়, সেপটিক ট্যাঙ্কের পাশেই বিরিয়ানি তৈরি করা হচ্ছে। এই কারখানাও বন্ধ করে দেওয়া হয় জেলা প্রশাসনের প্রতিনিধি দলের তরফে (Unhygienic Biryani Shops closed)। দিনহাটা পুরসভার চেয়ারম্যান গৌরিশঙ্কর মাহেশ্বরী বলেন, “বেশ কিছুদিন ধরেই বিরিয়ানি দোকান নিয়ে অভিযোগ আসছিল। অভিযানের পর ওই দোকানগুলো বন্ধ করা হয়েছে।”

পুরসভার প্রতিনিধিরা জানান, “বিভিন্ন বিরিয়ানি (Biriyani) দোকানে একটি নির্দিষ্ট কেমিক্যাল মেশানো হচ্ছে, যা বিরিয়ানির স্বাদ বাড়ালেও মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। এছাড়াও, বিরিয়ানিতে পচা বা দুই-তিন দিনের পুরনো মাংস ব্যবহার করা হচ্ছে। এসব অভিযোগের ভিত্তিতে পুরসভা ও জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ কড়া পদক্ষেপ নিয়েছে” (Unhygienic Biryani Shops closed)

ফুড সেফটি অফিসার, দিনহাটা মহকুমা হাসপাতালের সুপার ডঃ রণজিৎ মণ্ডল সহ পুর প্রতিনিধিরা অভিযানে অংশ নেন। একাধিক দোকান আপাতত বন্ধ রাখা হয়েছে (Unhygienic Biryani Shops closed) এবং তাদের নথিপত্র সহ পুরসভায় দেখা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পুর প্রধান জানিয়েছেন, আগামী দিনে খাবারের নমুনা পরীক্ষা করেই এই বিরিয়ানি বা খাবারের দোকানগুলোকে ব্যবসার অনুমতি দেওয়া হবে।

RELATED Articles