ফের বিতর্কের মুখে বিশ্বভারতী! উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তীকে শারদীয়ার উপহার হিসেবে পাঠানো হল ছেঁড়া জুতো

শারদীয়ার উপহার যে এমন হতে পারে, তা কারোর কল্পনারও অতীত। আর সেই উপহারকে ঘিরেই ফের একবার নতুন করে বিতর্কে জড়াল বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়। কারণ উপহার হিসেবে যা পাঠানো হয়েছে, তা একেবারেই সাধারণ কোনও জিনিস নয়।

কী ঘটেছে ঘটনাটি?

জানা গিয়েছে, বিশ্বভারতীর উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তী-সহ তাঁর ২৫ জন অনুগামীকে কুরিয়ারের মাধ্যমে পাঠানো হয়েছে শারদীয়ার উপহার। কেউ সেই উপহার হাতে পেয়েছেন পঞ্চমীর দিন, তো কেউ আবার পেয়েছেন পুজো শেষ হওয়ার পর। কিন্তু সেই উপহারের প্যাকেট খুলেই তাজ্জব বনে যান সকলে। কারণ তাতে ছিল ছেঁড়া-ফাটা জুতো আর প্যাকেটের উপর লেখা, পুজোর উপহার।

এই ঘটনায় উপাচার্য ঘনিষ্ঠদের অনেকেই বলছেন, পুজোর আগে পড়ুয়া থেকে শুরু করে দেশ-বিদেশ থেকেও তাদের কাছে নানান উপহার আসে। তবে এমন কটাক্ষের যেন নতুন আঁচ পেল শান্তিনিকেতন। এই ঘটনার কেউ কেউ কটাক্ষ করছেন, তো কেউ আবার এই নিয়ে ব্যঙ্গও করেছেন। এখন আপাতত এই ঘটনাকে ঘিরে গোটা বিশ্বভারতীতে চর্চা শুরু হয়েছে।

কেন এমন উপহার?

এই ঘটনা এই প্রথম নয়। এর আগেও জুতোর মালা থেকে শুরু করে ঢোল বাজিয়ে প্রতিবাদ দেখেছে বিশ্বভারতী। অনেকের মতে, উপাচার্যের পাঁচ বছরের কর্ম সময়ে তিনি যে প্রশাসনিকভাবে কতটা ব্যর্থ, তা নিয়ে অভিযোগ জানাতেই এমন উপহার পাঠানো হয়েছে। তবে কে বা কারা এই উপহার পাঠিয়েছে, তা এখনও জানা যায়নি।

জানা গিয়েছে, এমন উপহার পেয়ে উপাচার্যের ঘনিষ্ঠদের একাংশ নানুর কীর্ণাহারের কুরিয়ার সার্ভিসের মালিককে জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন। সেই কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমেই এসেছে এই উপহার। কিন্তু কুরিয়ার সার্ভিসের মালিক মুখ খুলতে চান নি।

কী প্রতিক্রিয়া উপাচার্যের?

এমন ঘটনার এখনও পর্যন্ত উপাচার্য বা তাঁর ঘনিষ্ঠদের কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি। তবে অধ্যাপকদের একাংশের দাবী, “বাছাই করে উপাচার্য-সহ ২৫ জন ছায়াসঙ্গীর বাড়িতে মূলত বিদ্রুপ প্রতিবাদ জানাতেই একপাটি ছেঁড়া জুতো শারদীয়ার উপহার হিসেবে পাঠানো হয়েছে”।

RELATED Articles