বর্তমানে এখন শিক্ষাক্ষেত্রে বেআইনি নিয়োগ নিয়ে গোটা রাজ্য উত্তাল। এই নিয়ে তীব্র তোপের মুখে পড়েছে শাসকদল। শাসকদলের নানান নেতা-মন্ত্রীদের নাম জড়িয়েছে নিয়োগ দুর্নীতিতে। কোথাও নম্বর বাড়িয়ে চাকরি দেওয়া হয়েছে তো কোথাও আবার কয়েক লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করে আবার চাকরি দেওয়াই হয়নি। এবার এমনই এক অভিযোগে এক যুবককে লাইটপোস্টে বেঁধে পেটাল ক্ষিপ্ত জনগণ।
ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রাম-২ ব্লকে। সেখানকার একটি ভিডিও প্রকাশ্যে এসেছে। যদিও এই ভিডিওর সত্যতা যাচাই করে নি খবর ২৪৭। এই ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে যে এক যুবককে লাইটপোস্টে বেঁধে বেধড়ক মারধর করছেন স্থানীয়রা। পরবর্তীতে পুলিশ এসে ওই যুবককে উদ্ধার করে। বর্তমানে ওই যুবক জেল হেফাজতে রয়েছে বলে খবর।
কিন্তু কী কারণে এই ক্ষোভ গ্রামবাসীর?
পুলিশ সূত্রের খবর অনুযায়ী, ওই যুবকের নাম সঞ্জয় গুড়িয়া। ওই যুবকের বিরুদ্ধে অভিযোগ সে নাকি গ্রামবাসীর লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়েছে সে। এই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। জানা গিয়েছে, ওই যুবক চাকরি দেওয়ার নাম করে অনেক লোকের থেকেই লক্ষ লক্ষ টাকা নিয়েছে। কিন্তু পরবর্তীকালে কাউকে চাকরি দেওয়া হয়নি।
এরপরই ক্ষোভে ফেটে পড়েন গ্রামবাসীরা। ওই যুবকের থেকে টাকা ফেরত চাওয়া হয়। সূত্রের খবর, এরপরই এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায় ওই যুবক। তবে গত মঙ্গলবার ওই যুবককে পাকড়াও করে গ্রামবাসীরা। আর তাকে লাইটপোস্টের সঙ্গে বেঁধে বেধড়ক মারধর করা হয়।
এই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। তবে এই ঘটনা নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনীতি। একদিকে বিজেপি দাবী, “অভিযুক্ত যুবক তৃণমূল দ্বারা আশ্রিত। শাসক দলের নির্দেশেই এই কাজ করেছে ও। তবে গ্রামবাসীদের হাতে ধরা পড়ে মারধর খেতে হয়েছে”। আর অন্যদিকে তৃণমূলের দাবী যে এই ঘটনার সঙ্গে তাদের কোনও যোগ নেই।





