শুধু সিকিমই নয়, ভারী বর্ষণে বন্যার পরিস্থিতির আশঙ্কা বাংলাতেও, হড়পা বানের সতর্কবার্তা, পাহাড়ে ধসের আশঙ্কা

সিকিমে মেঘভাঙা বৃষ্টি ও হড়পা বানের জেরে বিপর্যস্ত জনজীবন। থমকে গিয়েছে সকলে। লোনক লেকে উপচে পড়া জলের জেরে নিখোঁজ ২৩ জন জওয়ান। তিনটি দেহ উদ্ধার হলেও শনাক্ত করা যায়নি এখনও। এমন পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও।

শুধু সিকিমই নয়, বাংলার একাধিক জেলাতেও বানভাসি অবস্থা। গত কয়েকদিনের বৃষ্টির জেরে নদীস্তর ফুলেফেঁপে উঠেছে। এই মধ্যে এবার আরও আশঙ্কার কথা শোনাল আলিপুর আবহাওয়া দফতর। জানা গিয়েছে, বাংলাদেশের দিকে ধীরগতিতে সরছে নিম্নচাপ। এ জেরে আপাতত ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি চলবে বঙ্গে। হড়পা বানের আশঙ্কাও উড়িয়ে দিচ্ছে না হাওয়া অফিস।

দক্ষিবঙ্গের পরিস্থিতি কেমন থাকবে?

আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, আগামীকাল, বৃহস্পতিবারও বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, পশ্চিম বর্ধমান, নদিয়া এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলায় ভারী বৃষ্টি জারি থাকবে। শুক্রবারও বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। শনিবার থেকে আবহাওয়ার কিছুটা উন্নতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

উত্তরবঙ্গের আবহাওয়া কেমন থাকবে?  

হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস, আগামীকাল, বৃহস্পতিবার উত্তরবঙ্গের আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার ও জলপাইগুড়িতে অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা রয়েছে। ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দার্জিলিং, কালিম্পং জেলাতেও। শনিবার পর্যন্ত দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার এবং জলপাইগুড়িতে বিক্ষিপ্তভাবে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি চলবে বলে জানাল আবহাওয়া দফতর।

শুধু তাই-ই নয়, এমন প্রবল বর্ষণের জেরে উত্তরবঙ্গে পার্বত্য এলাকায় ধসের আশঙ্কা রয়েছে। দার্জিলিং ও কালিম্পংয়ে ধসের সম্ভাবনা সবথেকে বেশি। উত্তর ও দক্ষিণ দুই বঙ্গেই নদীস্তর বাড়তে পারে বলে জানা যাচ্ছে। নদীতে প্লাবনের সম্ভাবনা। এমন অতি ভারী বৃষ্টির জেরে চাষবাসের বিপুল ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

আরও অন্যান্য খবর