Weather: নিম্নচাপের প্রভাবে ২০ জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি, দক্ষিণবঙ্গে হলুদ সতর্কতা জারি উত্তরবঙ্গে ভারী বর্ষণ, ধসের আশঙ্কা

রাজ্যের আকাশে মেঘ-রোদ্দুরের লুকোচুরি চললেও, অনেক জায়গাতেই চলছে আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি। কোথাও আবার একটানা বৃষ্টিতে জল জমে যন্ত্রণায় নিত্যযাত্রীরা। এই অবস্থায় আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৮.৩০ থেকে শুক্রবার সকাল ৮.৩০ পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের ১৫ জেলায় জারি হয়েছে হলুদ সতর্কতা। কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, দুই ২৪ পরগনা, দুই মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, দুই বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ ও নদিয়ায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি এবং ঘণ্টায় ৩০-৪০ কিমি বেগে ঝোড়ো হাওয়ার পূর্বাভাস রয়েছে।

বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপের প্রভাব পশ্চিম মধ্য ও সংলগ্ন উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে তৈরি হয়েছে নিম্নচাপ, যা শক্তিশালী হয়ে আগামী দুই দিনের মধ্যে উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশ ও দক্ষিণ ওড়িশা উপকূলে স্থলভাগে প্রবেশ করবে। সরাসরি প্রভাব না থাকলেও, এর ফলে বাংলায় ঢুকবে প্রচুর জলীয় বাষ্প, যা বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা বাড়াবে।

মৎস্যজীবীদের জন্য সতর্কতা বাংলা উপকূলে মাছ ধরায় কোনও নিষেধাজ্ঞা নেই, তবে উত্তর-পশ্চিম ও পশ্চিম মধ্য বঙ্গোপসাগর, ওড়িশা ও অন্ধ্র উপকূলে ১৫ আগস্ট পর্যন্ত মাছ ধরতে না যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আগামী কয়েক দিনের আবহাওয়া (দক্ষিণবঙ্গ) শুক্রবার উপকূল ও পশ্চিমের জেলাগুলিতে বৃষ্টির সম্ভাবনা বেশি। শনিবার বৃষ্টির পরিমাণ কমে আসবে, তবে বিক্ষিপ্তভাবে বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। রবিবার ও সোমবার আংশিক মেঘলা আকাশ থাকবে, বৃষ্টির পরিমাণ আরও কমবে এবং অস্বস্তি বাড়তে পারে।

উত্তরবঙ্গের পরিস্থিতি আজ থেকে কাল সকাল পর্যন্ত দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহারে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। শুক্রবার থেকে বৃষ্টি কিছুটা কমলেও রবিবার থেকে মঙ্গলবার আবার ভারী বর্ষণ হতে পারে। পাহাড়ি এলাকায় ধস নামা ও নিচু এলাকায় জল জমার ঝুঁকি রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ SIR: বিহারের পর এবার বাংলায় SIR! কমিশনের চিঠিতে তীব্র প্রতিক্রিয়া রাজ্যের, আদালতেও উঠল প্রসঙ্গ!

পাহাড়ি এলাকায় ঝুঁকি দার্জিলিং ও সিকিমের পার্বত্য অঞ্চলে ভারী বৃষ্টির ফলে নদীর জলস্তর বাড়তে পারে, বিশেষ করে তিস্তা, তোর্সা ও জলঢাকা নদীতে। পাহাড়ি রাস্তায় ভারী বৃষ্টির কারণে দৃশ্যমানতা কমে যাওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে।

RELATED Articles