বিহার বিধানসভা ভোটে বিজেপির জয়জয়কারের পর দিলীপ ঘোষ আমদানি করেছিলেন এক নতুন স্লোগানের ‘ এবার বাংলা, পারলে সামলা’। বেশ বিতর্ক সৃষ্টি করেছিল সেই স্লোগান। আর এবার আগামী বছরের বিধানসভা ভোট কে পাখির চোখ করে নতুন স্লোগান বেঁধে মসনদ জিততে ঝাঁপালো টিম বিজেপি।
‘অব কি বার ২০০ পার’, এটাই এখন আগামী বছরের বাংলা বিধানসভা নির্বাচনে পদ্ম শিবিরের অন্যতম স্লোগান। আর এই স্লোগান অমিত শাহের মস্তিষ্কপ্রসূত বলেই জানা যাচ্ছে। বেশ কিছু বিষয়ের উপর ভিত্তি করেই বাংলায় ২০০’র বেশি আসন পাওয়ার আশা করছেন তিনি।
বিজেপি শিবিরে চাণক্য বলে পরিচিত কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ গতমাসে রাজ্য সফরে এসে বঙ্গ বিজেপি নেতাদের আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে ২০০ আসন ঝুলিতে তোলার লক্ষ্যমাত্রা দিয়ে গিয়েছেন।
তবে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছিল হঠাৎ করে ২০০-র লক্ষ্যমাত্রা কিভাবে বেঁধে দিয়ে গেলেন অমিত শাহ্? কীসের উপর ভিত্তি করে বিজেপি বাংলাতে এই বিপুল সংখ্যক আসন পাওয়ার পরিকল্পনা করছে? প্রবল গুঞ্জন ওঠে শাসক-বিরোধী সব দলে।
তাহলে জানুন সাধে অমিত শাহ্কে রাজনীতির চাণক্য বলা হয় না।
এই বিপুল সংখ্যক আসনে জেতবার মনোবাঞ্ছার পিছনে রয়েছে সাইলেন্ট ভোটাররা। এবার প্রশ্ন হল কারা এই সাইলেন্ট ভোটার?
বর্তমানে রাজনীতিতে নতুন একটি শব্দের চল হয়েছে সদ্যই। সাইলেন্ট ভোটার হল এমন ভোটার যারা কাকে ভোট দেবেন তা জনসমক্ষে প্রকাশ করেন না। যথাসময়ে নিজেদের কাজটি করে দেন। বিহার বিধানসভা নির্বাচনে এনডিএ’র জয়লাভের পিছনে মূল কাজ করেছে এই সাইলেন্ট ভোটাররাই।
বিহার বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পরে এই সাইলেন্ট ভোটারদের নিয়ে সংবাদমাধ্যমে বিস্তর লেখালিখিও হয়েছে। খোদ প্রধানমন্ত্রী মোদীও দলের সদর দপ্তরে বিহার নির্বাচনের বিজয়োৎসবে বক্তব্য রাখার সময়ে ‘সাইলেন্ট ভোটার’দের ধন্যবাদও দিয়েছেন।
উল্লেখ্য, বিহারের ক্ষেত্রে সেখানকার মহিলাদেরই ‘সাইলেন্ট ভোটার’ বলে মনে করা হচ্ছে। তবে বাংলার ক্ষেত্রে তা বদলে যেতেও পারে। আর বিহারের মতো বাংলাতেও কাজ করতে পারে এই ‘সাইলেন্ট ভোটার’ ম্যাজিক।





