আর জি কর কাণ্ডে (Rgkar medical College and hospital) নির্যাতিতার বিচার না পাওয়া অবধি আন্দোলন চলবে বলে, জানিয়েছিলেন আন্দোলনরত জুনিয়র ডাক্তাররা। তাদের জন্য চিকিৎসা পরিষেবা ব্যাহত হচ্ছে এর প্রতিবাদ করেও তারা বলেন চিকিৎসা পরিষেবা দেওয়ার জন্য সিনিয়র ডাক্তাররা আছেন, তাই তারা আন্দোলন করলে খুব বেশি ক্ষতি হওয়ার কথা নয়। একই সাথে তারা জানান, অপরাধীরা প্রকাশ্য আলোয় ঘুরে বেড়ালে তারা তো সুরক্ষার অভাব বোধ করবেনই! তাই শীর্ষ আদালত এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) চিকিৎসকদের কর্মবিরতি প্রত্যাহারের অনুরোধ জানালেও অনুরোধে কাজ হয়নি।
এরই মধ্যে আরজি করের নতুন মেডিকেল সুপার ভাইস প্রিন্সিপল সপ্তর্ষি চট্টোপাধ্যায় বলেন, “বিচার না পাওয়া পর্যন্ত থামবে না আন্দোলন। কারও চাপে মাথা নত করবো না।” একই সাথে এক কনভেনশনে তিনি বলেন, “আমি অতীতে বিশ্বাস করি না। আমি ভবিষ্যতে বিশ্বাসী। আর জি করে কী কালচার চলত আমি জানি। কিন্তু এখন থেকে একটা জিনিস চলবে- অধ্যক্ষ এবং উপাধ্যক্ষর উপরে যে যেতে চাইবে তাঁকে আমায় ফেস করতে হবে।”
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য গত ৯ আগস্ট আর জি করের চিকিৎসক তরুণী পড়ুয়ার ভয়াবহ মৃত্যুর পর প্রথমে সন্দীপ ঘোষ অধ্যক্ষের পথ থেকে সরে দাঁড়ান। এরপর অধ্যক্ষ করা হয় সুহৃতা পালকে। জুনিয়র ডাক্তারদের চাপের মুখে পড়ে এরপর তাকেও বদলি করা হয়। এরপর প্রেসিডেন্ট চিকিৎসক ও পড়ুয়াদের দাবি মেনে আরজিকরের আরও একাধিক শীর্ষ আধিকারিককে সরিয়ে দেওয়া হয়। সেই হিসেবেই আর জি কর হাসপাতালের নতুন এম এস ভি পি হন ডাক্তার সপ্তর্ষি চ্যাটার্জী।
অন্যদিকে জুনিয়র ডাক্তারদের কনভেনশনে চিকিৎসক দেবব্রত দাস বিস্ফোরক দাবি করে জানান যে এই হাসপাতালে দীর্ঘ বেশ কয়েক বছর ধরেই নানান রকম অনৈতিক কর্মকাণ্ড চলে এবং এই সমস্ত অনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে তারা জড়িত এবং তারা সবটা জেনেও চুপচাপ থেকে ছিলেন কিন্তু তিলোত্তমার মৃত্যু তাদের মুখে ভাষা ফিরিয়ে দিয়েছে প্রতিবাদ করার।
আরও পড়ুনঃ
দেবব্রত দাসের কথায়,“গত চার বছর ধরে অনেক অনৈতিক কাজের সঙ্গে আমিও জড়িত। আমার মনে হয়, এখানে যারা ফ্যাকাল্টি আছে, তারাও জড়িত। কিন্তু আমরা ভয় পাচ্ছিলাম। আমরা ভয় পাচ্ছিলাম বলতে যে এটা ভুল হচ্ছে। দুর্ভাগ্যবশত মেয়েটা প্রাণ দিয়ে বোঝাল যে এবার বলতে হবে- এটা ভুল হচ্ছে, এই লোকটা কালপ্রিট।”





