উৎসবের মধ্যেই নেমে এল শোকের ছায়া। রহস্যমৃত্যু নিহত কংগ্রেস নেতা তপন কান্দুর স্ত্রীর। বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় তাঁর অচৈতন্য দেহ। উৎসবের রাতে এমন ঘটনায় স্বভাবতই বেশ হইচই শুরু হয়েছে রাজ্য-রাজনীতিতে। কী কারণে মৃত্যু হল তাঁর?
নিহত কংগ্রেস নেতা তপন কান্দুর স্ত্রীর নাম পূর্ণিমা কান্দু। তিনি পুরুলিয়ার ঝালদা শহরের ১২ নম্বর ওয়ার্ডের কংগ্রেস কাউন্সিলর ছিলেন। জানা গিয়েছে, গতকাল, শুক্রবার নবমীর রাতে তাঁর ঝালদা শহরের স্টেশন রোডের বাড়ি থেকে অচৈতন্য অবস্থায় উদ্ধার করা হয় তাঁকে।
এরপর তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় ঝালদা ১ ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে। কিন্তু সেখানে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। পূর্ণিমাদেবীর মৃত্যুর খবর পেয়ে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যান পুরুলিয়া জেলা কংগ্রেস সভাপতি নেপাল মাহাতো। এই ঘটনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “কী করে মৃত্যু হয়েছে আমিও জানি না। সন্ধে অবধি ভালো ছিল বলেই শুনেছি। ওর ছেলেমেয়েরা বাইরে ছিল। এসে দেখে মারা গিয়েছে। স্বাস্থ্যকেন্দ্রে মৃত অবস্থায় আনা হয়েছে বলেই চিকিৎসকরা জানিয়েছেন। তবে কীভাবে মৃত্যু হল, তা নিয়ে ডাক্তারও কনফিউজড। কারণ জানতে ময়নাতদন্ত করা হবে। তার পরই আসল কারণ জানা যাবে”।
উল্লেখ্য, ২০২২ সালে ১৩ মার্চ ঝালদা-বাঘমুন্ডি সড়কপথে দুষ্কৃতীদের গুলিতে খুন হয়েছিলেন কংগ্রেস নেতা তপন কান্দু। সেই সময় তিনি পুরুলিয়া দু’নম্বর ওয়ার্ডের কংগ্রেস কাউন্সিলর ছিলেন। তপন কান্দু খুনের ঘটনায় তোলপাড় হয় রাজ্য-রাজনীতি। কংগ্রেসের তরফে এই খুনের ঘটনায় তৃণমূলের দিকে আঙুল তোলা হয়। তদন্ত শুরু করে পুলিশের সিট থেকে সিবিআই।
এই ঘটনায় ৭ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। এই ঘটনা আপাতত বিচারাধীন। এরপর থেকে ঝালদা পুরসভায় নানান ঘটনা ঘটেছে। একাধিকবার বদলেছে রাজনীতির রঙ। এই সব লড়াই সামনে এসেছেন পূর্ণিমাদেবী। ফলে তাঁর এমন রহস্যমৃত্যুতে শোরগোল পড়েছে গোটা এলাকাজুড়ে। এই ঘটনায় অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।





