মঙ্গলবার জ্যোমাটোর তরফে নতুন পরিষেবা আনা হয়। ১০০ শতাংশ নিরামিষ খাবার ডেলিভারি করার ঘোষণা করা হয়। ভেজ খাবার নিরামিষ রেস্তোরাঁ থেকে ডেলিভারি করা হবে সবুজ বক্সে। আমিষ খাবার পরিবেশন করা হয়, এমন কোনও দোকান থেকেও নিরামিষ আনা হবে না। বিশেষ এই ডেলিভারি পার্টনাররা কেবল নিরামিষ খাবার ডেলিভারি করবেন। এই ঘোষণার পরই সোশ্যাল মিডিয়ায় বিতর্ক শুরু হয়। এই সিদ্ধান্তকে আধুনিক সমাজের শ্রেণি বিভাজন বলে অ্যাখা দেওয়া শুরু হয়। ইউনিফর্ম এর পার্থক্য অনেক সমস্যা দেখা দিতে পারে বাড়ির মালিকদের সাথে বচসা তৈরি হতে পারে, লাল জামা পরা ডেলিভারি পার্টনারদের ঢুকতে বাধা দেওয়া হতে পারে। আমিষভোজীরা বিভিন্ন সমস্যায় পড়তে পারেন।
২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই সিদ্ধান্ত থেকে পিছু হটল জোম্যাটো। সিদ্ধান্ত বদল করে জ্যোমাটো। বিতর্ক শুরু হতেই সিদ্ধান্ত বদল করতে বাধ্য হল জ্যোমাটো। ফুড ডেলিভারি সংস্থার তরফে জানানো হল, সমস্ত ডেলিভারি পার্টনাররা আগের মতো লাল জামাই পরবেন।
এ দিন সকালেই জ্যোমাটোর সিইও দীপিন্দর গয়াল এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে লেখেন, “আমরা নিরামিষ খাবার পরিষেবা দেওয়ার জন্য আলাদা কর্মী রাখলেও, সবুজ রঙ দিয়ে তাদের বিভাজনের সিদ্ধান্তকে তুলে নিচ্ছি। আমাদের সকল রাইডার, যার মধ্যে নিরামিষ খাবার ডেলিভারির জন্য রাইডারও রয়েছেন, তারা সকলেই লাল রঙের পোশাক পরবেন।”
যারা জ্যোমাটোর ‘পিওর ভেজ’ অপশন থেকে খাবার ডেলিভার করবেন, তারা দেখতে পাবেন যে অর্ডার ডেলিভারি করতে আসছেন ‘ভেজ অনলি ফ্লিট’ বা জ্যোমাটোর বিশেষ নিরামিষ ডেলিভারি পার্টনাররা। সিদ্ধান্ত বদলের কারণ ব্যাখ্যা করে জ্যোমাটোর সিইও দীপিন্দর গয়াল বলেন, “আমরা এখন বুঝতে পারছি যে গ্রাহকরা তাদের বাড়ির মালিকের সঙ্গে সমস্যায় জড়িয়ে পড়তে পারেন। আমাদের জন্য এমন কিছু হোক, চাইনা আমরা।”
জ্যোমাটো ‘পিওর ভেজ’ অপশন আনার পর সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীরা যে যে সমস্যাগুলি তু্লে ধরেছেন, তার জন্যও ধন্যবাদ জানিয়েছেন দীপিন্দর। তিনি লেখেন, “এই সিদ্ধান্তের ফলাফল কী হতে পারে, তা আমাদের বুঝতে সাহায্য করেছেন। ভালবাসা ও সমালোচনা-সবই আমাদের সাহায্য করেছে। কোনও ইগো বা অহংকার ছাড়াই আপনাদের সব কথা সর্বদা শুনছি আমরা।”





