নির্বাচকদের বিরুদ্ধে গিয়ে ধোনির অধিনায়কত্ব রক্ষা করেছিলেন শ্রীনিবাসন

প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক মহেন্দ্র সিংহ ধোনির ক্রিকেট কেরিয়ারে সাফল্য যেমন ছিল ঠিক তেমনই বিতর্কও কিছু কম ছিল না। ২০১১ সালে দেশের মাটিতে বিশ্বকাপ জয় করে ধোনির ভারত গৌরব অর্জন করেছিল। কিন্তু তারপরই ভারত ইংল্যান্ড এবং অস্ট্রেলিয়ায় গিয়ে টেস্ট খেলে অত্যন্ত খারাপ প্রদর্শন করেছিল। ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়াতে দল ০-৪ ব্যবধানে টেস্ট সিরিজ হেরেছিল, লজ্জাজনক হোয়াইটওয়াশ হয়েছিল।

এই হারের পরই তৎকালীন জাতীয় নির্বাচক মন্ডলী ধোনিকে অধিনায়কের পদ থেকে সরিয়ে দিতে চেয়েছিলেন। কিন্তু ধোনির সমর্থনে ছিলেন তৎকালীন বিসিসিআইয়ের প্রেসিডেন্ট এন শ্রীনিবাসন। ২০১১-১২ সালে ধোনিকে ভারতের ওয়ানডে অধিনায়ক হিসাবে ধরে রাখার জন্য বোর্ড প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব কীভাবে প্রয়োগ করেছিলেন শ্রীনিবাসন, যখন তত্কালীন নির্বাচন কমিটি ধোনিকে অপসারণের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। টেস্টে ভারতের পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে নির্বাচকরা ওডিআই অধিনায়ক হিসাবে ধোনিকে অপসারণ করতে পারে না।

মাত্র কয়েক মাস আগে ধোনি দলকে বিশ্বকাপ জয়ের দিকে নিয়ে গিয়েছিলেন এবং তিনি রাতারাতি খারাপ অধিনায়ক হতে পারেন না। ধোনির অবসরের পর শ্রীনিবাসন বলেন, “২০১১ সালে বিশ্বকাপ জয়ের পর অস্ট্রেলিয়ায় টেস্ট ম্যাচে আমরা ৪-০ তে হেরেছিলাম। এরপরই নির্বাচকরা কোনও বদলি ক্যাপ্টেনের কথা না ভেবেই ওঁকে সরিয়ে দিতে চায় ওয়ানডে ম্যাচ থেকে। কিন্তু আমি একটাই নাম বলে রেখেছিলাম। তা হল এমএস ধোনি। বিসিসিআই প্রেসিডেন্ট হিসেবে নিজের সব ক্ষমতার ব্যবহার করেছিলাম সেদিন।”

সেই সময় নির্বাচকরা দলে ধোনিকে বেছে নিয়েছিল তবে তারা কোনও অধিনায়ক বেছে নেয়নি। শ্রীনিবাসন বলেছিলেন যে বিসিসিআইয়ের তত্কালীন সচিব সঞ্জয় জগদলের কাছ থেকে তিনি একটি ফোন পেয়েছিলেন এবং জানতে পারেন যে, নির্বাচকরা “অধিনায়ক নির্বাচন করতে অস্বীকার করছেন”। শ্রীনিবাসন তখন গল্ফ খেলছিলেন, তিনি বৈঠকে ছুটে এসে ধোনিকে ওয়ানডে অধিনায়ক হিসাবে ধরে রাখতে বিসিসিআইয়ের প্রেসিডেন্ট হিসাবে তার কর্তৃত্ব প্রয়োগ করেছিলেন।

আরও অন্যান্য খবর