ইতিমধ্যেই ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ড-এর ধারাভাষ্যকর প্যানেল থেকে বাদ পড়েছেন সঞ্জয় মঞ্জরেকর। কিন্তু এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হল কেন? সেই ব্যাপারে প্রথমে কোনো স্পষ্ট কারন জানানো হয়নি বোর্ডের তরফে। তবে বিসিসিআই-এর এক কর্তা জানিয়েছিলেন মঞ্জরেকরের পারফরম্যান্সে একেবারেই সন্তুষ্ট নন তাঁরা, সেই কারণেই তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হল।
আজ বিসিসিআই প্রেসিডেন্ট, সৌরভ গাঙ্গুলি নিজে এই বিষয়ে মুখ খুললেন। প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটারকে ধারাভাষ্যকারের প্যানেল থেকে সরিয়ে দেওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কোনও বিসিসিআই সভাপতি নিজে এই বিষয়ে প্রথম মুখ খুললেন। প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটারকে ধারাভাষ্যকারের প্যানেল থেকে সরিয়ে দেওয়া প্রসঙ্গে বিসিসিআই সভাপতি বলেন, কোনও ধারাভাষ্যকারের একটি মাত্র সিরিজের জন্য প্যানেলে না থাকা নিয়ে কোনও সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়া উচিত নয়।
একটি বেসরকারী সংবাদমাধ্যমকে বিসিসিআই-র আরেক কর্তা বলেন, “হ্যাঁ, তিনি এই সিরিজের জন্য প্যানেলে নেই। তবে এর অর্থ এটা নয় যে পরবর্তী সিরিজে তিনি থাকবেন না। কী নিয়ে এত বিতর্ক আসলে তা আমি জানি না।”
উল্লেখ্য ১৯৯৬ সালে ভারতীয় টিম থেকে অবসর নেওয়ার পর ধারাভাষ্য দিতে আসেন মঞ্জরেকর। তার পর থেকে দীর্ঘ সময় বোর্ডের ধারাভাষ্যকারের টিমে দেখা গিয়েছে তাঁকে। টানা তিনটে বিশ্বকাপে আইসিসির প্যানেলেও ছিলেন। তবে সম্প্রতি বেশ কিছু ক্ষেত্রে দেখা গিয়েছে ধারাভাষ্য দিতে বসে মঞ্জরেকর যতটা না ধারাভাষ্য দিয়েছেন তার থেকে অনেক বেশি তিনি বিতর্কে জড়িয়ে পড়েছেন। এমনকি বিশ্বকাপের সেমি ফাইনালের মত গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে ভারতীয় ক্রিকেটার রবীন্দ্র জাদেজাকে নিয়ে মন্তব্য করে বিতর্কের জন্ম দেন মঞ্জরেকর। তারপর সেমি ফাইনালে জাদেজা অবশ্য ভালো পারফরম্যান্স করে মঞ্জেরেকরকে জবাব দেন। কিন্তু বিশ্বকাপের সেমি ফাইনালের আগে ভারতীয় ক্রিকেটারদের নিয়ে এমন মন্তব্য ভালো চোখে দেখেনি বিসিসিআই।
পাশাপাশি, হর্ষ ভোগলে নিয়েও মন্তব্য করে বিতর্কে জড়িয়ে ছিলেন মঞ্জেরেকর। তিনি দাবি করেছিলেন ভোগলে পেশাদার ক্রিকেট খেলেননি তাই ক্রিকেট সম্পর্কে তার ধারণা ভালো নয়।





